ওযূর তরতীব

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
Ablution2.png
১ মাস’আলাঃ

ক্কেবলার দিকে মুখ করিয়া অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় বসিবে—যেন ওযুর পানির ছিঁটা নিজের উপর আসিতে না পারে । — মুনিয়া

২ মাস’আলাঃ

বিসমিল্লাহ্‌ বলিয়া ওযু শুরু করিবে । –ফাতাওয়ায় হিন্দিয়া

৩ মাস’আলাঃ

সর্বপ্রথম উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধুইবে ।–ফাতাওয়ায় হিন্দিয়া

৪,৫,৬ মাস’আলাঃ

তারপর তিনবার কুল্লি করিবে এবং মিসওয়াক করিবে, যদি মিসওয়াক না থাকে, তবে মোটা কাপড় বা হাতের আঙ্গুল বা অন্য কিছু দ্বারা দাঁতগুলিকে বেশ পরিষ্কার করিবে । যদি রোযা না হয়, তবে গড়গড়া করিয়া ভালরুপে সমস্ত মুখগহ্বরে পানি পৌঁছাইবে । রোযা অবস্থায় গড়গড়া করিবে না । কেননা, হয়ত কিছু পানি হল্‌কূমের মধ্যে চলিয়া যাইতে পারে । –আলমগীরী

৭ মাস’আলাঃ

তারপর তিনবার নাকে পানি দিবে । বাম হাত দিয়া নাক ছাফ করিবে । রোযা অবস্থায় নাকের ভিতরে নরম অংশের উপর পানি পৌঁছাইবে না (বাম হাতের কনিষ্ঠা ও বৃদ্ধাঙ্গুলির অগ্রভাগ দ্বারা নাকের ভিতর পরিষ্কার করিবে)। – মুনিয়া, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া

৮ মাস’আলাঃ

তারপর তিনবার মাথার চুলের গোঁড়া হইতে থুতনি পর্যন্ত এবং এক কানের লতি হইতে অন্য কানের লতি পর্যন্ত সমস্ত মুখ ভাল করিয়া উভয় হাত দিয়া ডলিয়া মলিয়া ধুইবে যেন যব জায়গায় পানি পৌঁছে । উভয় ভ্রুর নীচেও খেয়াল করিয়া পানি পৌঁছাইবে যেন কোন স্থান শুকনা না থাকে । -মারাকিউল ফালাহ

৯ মাস’আলাঃ

অতঃপর ডান হাতের কনুইসহ ভাল করিয়া তিন বার ধুইবে । তারপর বাম হাতও ঐরূপে কনুইসহ ধুইবে । এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতের আঙ্গুলের মধ্যে প্রবেশ করাইয়া খেলাল করিবে । হাতের আংটি, চুড়ি ইত্যাদি নাড়িয়া চাড়িয়া ভালমতে পানি পৌঁছাইবে যেন একটি পশমও শুষ্ক না থাকে । -কবীরী

১০ মাস’আলাঃ

তারপর সমস্ত মাথা একবার মছহে করিবে । শাদাত আঙ্গুল দিয়া কানের ভিতর দিক এবং বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়া বাহিরের দিক মছহে করিবে এবং হাতের আঙ্গুলের পিঠের দিক দিয়া ঘাড় মছহে করিবে, কিন্তু গলা মছহে করিবে না । কেননা গলা মছহে করা ভাল নহে; বরং নিষেধ আছে । কান মছহে করিবার জন্য নূতন পানি লইবার প্রয়োজন নাই, মাথা মছহে করার জন্য ভিজানো হাত দ্বারাই মছহে করিবে । -কবীরী, মুনিয়া

১১ মাস’আলাঃ

তারপর তিনবার টাখ্‌না (ছোট গিরা) সহ উভয় পা ধুইবে । প্রথমে ডান পা এবং বাম পা ভাল করিয়া ডলিয়া মলিয়া ধুইবে । পায়ের তলা এবং গোড়ালির দিকে খুব খেয়াল রাখিবে, যেন কোন অংশ শুকনা থাকিয়া না যায় । বাম হাতের কনিষ্ঠা অঙ্গুলি নীচের দিক হইতে প্রবেশ করাইয়া পায়ের অঙ্গুলিগুলি খেলাল করিবে । ডান পায়ের কনিষ্ঠা অঙ্গুলি হইতে শুরু করিয়া বাম পায়ের কনিষ্ঠা অঙ্গুলিতে গিয়া শেষ করিবে । এই হইল ওযু করিবার নিয়ম ।

১২ মাস’আলাঃ

কিন্তু এই সমস্ত কাজের মধ্যে কতিপয় কাজ এমন আছে, যাহা ছুটিয়া গেলে বা তাঁহার কিছু বাকী থাকিলে ওযু আদৌ হয় না; পূর্বে যেমন বে-ওযু ছিল এখনো সেই রকম বে-ওযুই রহিল । এই রকম কাজগুলিকে “ফরজ” বলে । আর কতিপয় কাজ এমন আছে, যাহা ছুটিয়া গেলে ওযু হইয়া যায় বটে, কিন্তু করিলে সওয়াব মিলে, তাহা করার জন্য তাকীদও আছে । এমন কি, যদি কেহ অধিকাংশ সময়ে ছাড়িয়া দেয়, তবে সে গোনাহগার হয় । এই সব কাজকে “সুন্নত” বলে । আর যে-সব কাজ করিলে সওয়াব মিলে, অন্যথায় গোনাহ্‌ হয় না এবং ততপ্রতি শরীয়তেরও কোন তাকীদ নাই, এইরূপ কাজগুলিকে “মোস্তাহাব” বলে । -কবীরী, রদ্দুল মোহ্‌তার

১৩ মাস’আলাঃ

ওযুর ফরযঃ ওযুর ফরয শুধু চারিটি কাজ—

১)সমস্ত মুকমন্ডল একবার ধোয়া
২)কনুইসহ এক একবার উভয় হাত ধোয়া
৩)মাথার চারি ভাগের একভাগ একবার মোছহে করা
৪)টাখনাসহ উভয় পা একবার ধোয়া ।

ইহার মধ্যে যদি একটি কাজও ছুটিয়া যায় বা চুল পরিমাণ জায়গাও শুকনা থাকে, তবে ওযু হইবে না । — মাজমাউল আনহার

১৪ মাস’আলাঃ

ওযুর সুন্নতঃ ওযুর সুন্নত দশটি ।

১) বিসমিল্লাহ বলিয়া আরম্ভ করা ।
২) কব্জীসহ দুই হাত তিন তিনবার ধোয়া
৩) কুল্লি করা
৪) নাকে পানি দেওয়া
৫) মেসওয়াক করা
৬) সমস্ত মাথা একবার মোছহে করা
৭) প্রত্যেক অঙ্গকে তিন তিনবার করিয়া ধোয়া
৮) কান মছহে করা
৯) হাত আঙ্গুল খেলাল করা ।
১০) পায়ের আঙ্গুল খেলাল করা

এই সুন্নত এবং ফরজকাজগুলি ব্যতীত অন্য যে কাজগুলি আছে তাহা মোস্তাহাব । - মারাকিউল ফালাহ্‌

১৫ মাস’আলাঃ

যে চারিটি অঙ্গ ধোয়া ফরয সেইগুলি ধোয়া হইয়া গেলে ওযু হইয়া যাইবে । ইচ্ছা করিয়া ধুইয়া থাকুক বা অনিচ্ছায় ধুইয়া থাকুক, নিয়ত করিয়া থাকুক বা না করিয়া থাকুক । যেমন, গোছলের সময় ওযু না করিয়া সমস্ত শরীরে পানি ঢালিয়া দিল বা পুকুরের মধ্যে পড়িয়া গেল বা বৃষ্টিতে ভিজিল, ইহাতে যদি এই চারিটি অঙ্গ পূর্নরূপে ধোয়া হইয়া যাইবে, কিন্তু নিয়ত না থাকর দরুন ওযুর সওয়াব পাইবে না । –মুনিয়া

১৬ মাস’আলাঃ

উপরে লিখিত তরতীব অনুযায়ী ওযু করাই সুন্নত । কিন্তু যদি কেহ উহার ব্যতিক্রম করে, যেমন, প্রথমে পা ধুইল, তারপর মাথা মছহে করিল তারপর হাত বা অন্য কোন অঙ্গ আগে পরে ধুইল, তবুও ওযু শুদ্ধ হইবে, কিন্তু সুন্নতের খেলাফ হইবে । ইহাতে গোনাহ্‌ হওয়ার আশঙ্কা আছে; অর্থাৎ, যদি এই রকম উল্টা ওযু করার অভ্যাস করে, তাহলে গোনাহ্‌ হইবে । –ফাতাওয়ায় হিন্দিয়া

১৭ মাস’আলাঃ

এইরূপ যদি বাম পা বা বাম হাত আগে ধোয়, তবুও ওযু হইয়া যাইবে, কিন্তু মোস্তাহাবের খেলাফ হইবে । –মারাকী

১৮ মাস’আলাঃ

এক অঙ্গ ধুইয়া অন্য অঙ্গ ধুইতে এত দেরী করিবে না যে, প্রথম অঙ্গ শুকাইয়া যায় । এরূপ দেরী করিলে অবশ্য ওযু হইয়া যাইবে, কিন্তু সুন্নতের খেলাফ হইবে । –আলমগীরী

১৯ মাসআলাঃ

প্রত্যেক অঙ্গ ধুইবার সময় হাত দিয়া ঘষিয়া মাজিয়া ধোয়াও সুন্নত, যেন কোন জায়গা শুকনা না থাকে (শীতকালে মলিয়া ধোয়ার বেশী আবশ্যক; কেননা, তখন শুকনা থাকিয়া যাইবার বেশী আশঙ্কা ।) –মারাকী

২০ মাসআলাঃ

নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বেই ওযু করিয়া নামাজের আয়োজন করা এবং নামাজের জন্য প্রস্তর হওয়া ভাল এবং মোস্তাহাব । –মারাকী

২১ মাসআলাঃ

একান্ত ওজর না হইলে নিজের হাতেই ওযু করিবে, অন্যের দবারা পানি ঢালাইবে না । ওযুর সময় অনাবশ্যক দুনিয়াবী কথা বলিবে না; বরং প্রত্যেক অঙ্গ ধুইবার সময় বিসমিল্লাহ্‌ এবং কলেমা পড়িবে । পানি যতই বেশী থাকুক না কেন, এমন কি নদীতে ওযু করিলেও জরুরতের বেশী পানি খরচ করিবে না; অবশ্য এত কমও খরচ করিবে না যে, অঙ্গগুলি ভালমত ধুইতে কষ্ট হয় । কোন অঙ্গ তিনবারের বেশী ধুইবে না । মুখ ধুইবার সময় পানি বেশী জোরে মুখে মারিবে না, ফুঁক মারিয়া পানি উড়াইবে না, মুখ এবং চোখ অতি জোরে বন্ধ করিবে না । কেননা, এইসব কাজ মাকরুহ এবং নিষেধ । যদি মুখ এবং চোখ এরকম জোরে বন্ধ করিয়া রাখা হয় যাহাতে চোখের পলক বা ঠোঁটের কিছু অংশ ধোয়া হইল না, বা চোখের কোনায় পানি পৌঁছাইল না, তবে ওযুই হইবে না ।–কবীরী

২২ মাস’আলাঃ

আংটি, চুড়ি, বালা যদি এরকম ঢিলা হয় যে, সহজেই উহার নীচে পানি পৌছিতে পারে, তবুও সেগুলি নাড়াইয়া ভালরুপে খেয়াল করিয়া উহার নীচে পানি পৌঁছান মোস্তাহাব । আর যদি ঢিলা না হয় এবং পানি না পৌছিবার আশঙ্কা থাকে, তবে সেগুলিকে ভালরুপে নাড়িয়া চাড়িয়া নীচে পানি পৌঁছান ওয়াজিব । নাকের নথ চুঙ্গিরও এই হুকুম যে, যদি ছিদ্র ঢিলা হয়, তবে নাড়িয়া পানি পৌঁছান মোস্তাহাব; আর যদি ছিদ্র আঁটা হয়, তবে মুখ ধুইবার সময় নথ, বালি ভালরুপে ঘুরাইয়া পানি পৌঁছান ওয়াজিব ।–কবীরী

২৩ মাস’আলাঃ

নখের ভিতরে আটা জমিয়া (অথবা কোন স্থানে চুন ইত্যাদি) শুকাইয়া থাকিলে ওযুর সময় যদি তাহার নীচে পানি না যায়, তবে ওযু হইবে না, যখন মনে আসে এবং আটা দেখে, তখন আটা (ও চুন ইত্যাদি) ছাড়াইয়া তথায় পানি ঢালিয়া দিবে (সম্পূর্ন ওযু দোহরাইতে হবে না) । পানি ঢালার পূর্বে নামায পড়িয়া থাকিলে সেই নামায দোহ্‌রাইয়া পড়িতে হইবে । –গুনইয়া পৃঃ ৪৬

২৪ মাস’আলাঃ

কপালে ও মাথায় আফসান (এবং নখে নখ-পালিশ) ব্যবহার করিলে তাহার আটা উঠাইয়া ধুইতে হইবে, নতুবা ওযু বা গোসল কিছুই হইবে না ।

২৫ মাস’আলাঃ

ওযু শেষে একবার সূরা ক্কদর এবং এই দোয়া পড়িবে—

'হে আল্লাহ ! আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর, পবিত্র লোকদের অন্তর্ভুক্ত কর, তোমার নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর এবং ঐ সকল লোকের অন্তর্ভুক্ত কর, রোজ হাশরে যাহাদের কোন ভয় নাই এবং তাহারা চিন্তিতও হইবে না।–কবীরী

২৬ মাস’আলাঃ

এক ওয়াক্তের নামাজের জন্য ওযু করিয়াছে, সে ওযু এখনো টুটে নাই, ইতিমধ্যে অন্য নামাযের ওয়াক্ত হইল, এখন সেই ওযু দিয়াই এই নাময পড়িতে পারে । কিন্তু নূতন ওযু করিলে সওয়াব অনেক বেশী পাইবে ।

২৭ মাস’আলাঃ

একবার ওযু করিয়াছে এখনো সেই ওযু টুটে নাই, অন্য এবাদতও সেই ওযুর দ্বারা করে নাই, এখন পুনঃ ওযু করা মাকরুহ এবং নিষেধ । সুতরাং গোসলের সময় ওযু করিয়া থাকিলে সেই ওযুর দবারাই নাময পড়িবে ; সে ওযু না টুটা পর্যন্ত পুনঃ ওযু করিবে না । যদি দুই রাকা’আত নামায ঐ ওযুর দ্বারা পড়িয়া থাকে, তবে আবার ওযু করিলে ক্ষতি নাই; বরং ওযু করিলে বেশী সওয়াব পাইবে । -মারাকী

২৮ মাস’আলাঃ

হাত পা কাটিয়া গিয়াছে এবং সেখানে ঔষধ লাগাইয়াছে ঔষধ ছাড়াইয়া ওযু করিলে ক্ষতি হয় । এখন যদি সেই ঔষধ না ছাড়াইয়া শুধু উপর দিয়া পানি ঢালিয়া লয়, তবুও ওযু হইয়া যাইবে । -ছগীরী

২৯ মাসআলাঃ

ওযু করিবার সময় হয়ত পায়ের গোড়ালি বা অন্য কোন জায়গায় পানি পৌঁছে নাই, ওযু করিবার পর নযর পড়িয়াছে, এখন সেই জায়গা শুধু হাতে ডলিয়া দিলে ওযু হইবে না, পানি ঢালিয়া দিতে হইবে ।

৩০ মাস’আলাঃ

শরীরে ফোঁড়া বা অন্য কোন রোগ এই রকম আছে যে, পানি লাগিলে ক্ষতি হয়, তবে যেখানে পানি লাগিলে ক্ষতি হয়, সেখানি পানি না লাগাইয়া শুধু ভিজা হাত দিয়া মুছিয়া লইতে পারে (এইরূপ মুছিয়া লওয়াকে ‘মছ্‌হে’ বলে) । আর যদি শুধু মুছিয়া লইলেও ক্ষতি হয়, তবে সে জায়গাটুকু একেবারে ছাড়িয়াও দিতে পারে । -মারাকী

৩১ মাস’আলাঃ

জখমের পট্টি খুলিয়া জখমের উপরও মছ্‌হে করিলে যদি ক্ষতি হয়, বা পট্টি খুলিতে খুব কষ্ট হয়, তবে পট্টির উপরও মছ্‌হে করা চলে । এমন অবস্থা না হইলে পট্টির উপর মছ্‌হে করা দুরুস্ত হইবে না । (যদিও ধোয়া না হয় ।)—শরহে বেকায়া-১

৩২ মাস’আলাঃ

সম্পুর্ন পট্টির নীচে যদি জখম না থাকে, তবে যদি পট্টি খুলিয়া জখমের জায়গা ছাড়িয়া অন্য জায়গা ধুইতে পারে, তবে ধুইতে হইবে । আর যদি পট্টি খুলিতে না পারা যায়, তবে জখমের জায়গায় এবং যে জায়গায় জখম নাই সে জায়গাও মছ্‌হে করিয়া লইবে । — কবীরী

৩৩ মাস’আলাঃ

হাড় ভাঙ্গিয়া গেলে বাঁশের চটা দিয়া যে তেকাঠিয়া বাঁধে তাহার হুকুমও পট্টির মত যতদিন তেকাঠি খুলিতে না পারে, তেকাঠির উপরই মছ্‌হে করিয়া লইবে এবং সিঙ্গার উপর পট্টিরও এই হুকুম, যদি জখমের উপর মছ্‌হে করিতে না পারে, তবে পট্টি খুলিয়া কাপড়ের ব্যান্ডিজের উপর মছ্‌হে করিবে । আর যদি খুলিবার ও বাঁধিবার লোক না পাওয়া যায়, তবে পট্টির উপরই মছ্‌হে করিবে । –কবীরী

৩৪ মাস’আলাঃ

মছ্‌হে করিতে হইলে সমস্ত পট্টির উপর মছ্‌হে করা ভাল, কিন্তু অর্ধেকের বেশীরভাগ মছ্‌হে করিলেও ওযু হইয়া যাইবে । আর যদি সমান অর্ধের বা কম অর্ধেক করে, অতবে ওযু আদৌ হইবে না। –গুনইয়া

৩৫ মাস’আলাঃ

হঠাৎ পট্টি পড়িয়া গেল, এখনো জখম ভাল হয় নাই, তবে পট্টিই বাঁধিয়া লইবে, আর পূর্বের মছ্‌হে বাকী থাকিবে । আবার মছ্‌হে করিতে হইবে না । যদি জখম ভাল হইয়া থাকে আর পট্টি বাঁধার দরকার না থাকে, তবে মছ্‌হে টুটিয়া যাইবে, নূতন ওযু না করিয়া শুধু ঐ স্থানটুকু ধুইয়াও নামাজ পড়িতে পারে । –ফাতাওয়ায় হিন্দিয়া

তথ্যসূত্র

  • বেহেস্তী জেওর