কুরআন মাজীদের আলোকে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ)

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে তাঁর দেয়া নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন তিনি ইরশাদ করেছেন-

ﻓﺎﺫﻛﺮﻭﱐ ﺍﺫﻛﺮﻛﻢ ﻭﺍﺷﻜﺮﻭﺍ ﱄ ﻭﻻﺗﻜﻔﺮﻭﻥ

সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমি তোমাদেরকে স্মরণ করব। তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও, অকৃতজ্ঞ হয়ো না।

— আলকুরআন, সূরা-বাকারা, আয়াত নং ১৫২

তাই আল্লাহর নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপন করা প্রত্যেক মানুষের ওপর কর্তব্য। শোকরিয়া জ্ঞাপনের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, যা মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন ।

নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপনের পদ্ধতি

নিয়ামতের স্মরণ

নিয়ামতের স্মরণ করাও শোকরিয়া জ্ঞাপনের একটি মাধ্যম। নিয়ামতের স্মরণ করার মাধ্যমে আল্লাহর নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপন করা যায়। তাই মহান রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন-

ﻳﺎ ﺑﲏ ﺍﺳﺮﺍﺋﻴﻞ ﺍﺫﻛﺮﻭﺍ ﻧﻌﻤﱵ ﺍﻟﱵ ﺍﻧﻌﻤﺖ ﻋﻠﻴﻜﻢ

হে বণীঈসরাঈল! আমার সেই অনুগ্রহকে স্মরণকর যদ্দারা আমি তোমাদেরকে অনুগৃহীত করেছিলাম ।

— সূরা-বাকারা, আয়াত নং ৪৭

তিনি অন্যত্র ইরশাদ করেছেন-

তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ কর।

— সূরা-আলে ইমরান, আয়াত নং:১০৩

নিয়ামতের বর্ণনা দেয়া

নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপনের আরেকটি মাধ্যম হল নিয়ামতের বর্ণনা দেয়া, অপরকে জানানো ইত্যাদি। (আল-মাওসূয়াতুল ফিকহিয়্রাহ আল-কুয়াইতিয়্যাহ, দারুস্ সালাসিল, কুয়েত, ১ম সংস্করণ, ১৪০৪ হিজরী, খ. ২৬, পৃ.১৭৮)

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন-

তুমি তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা জানিয়ে দাও।

— সূরা:দুহা, আয়াত নং:১১

অত্র আয়াতে মহান রাব্বুল আলামীন মানুষদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা তাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা বর্ণনা করে।

নিয়ামত চেনা

নিয়ামতকে নিয়ামত হিসেবে চেনাও শোকরিয়া জ্ঞাপনের একটি মাধ্যম। প্রত্যেক নিয়ামত হল আল্লাহ প্রদত্ত। আর এ নিয়ামতের মর্যাদাও চিনতে হবে এবং তদনুযায়ী শোকরিয়া জ্ঞাপন করতে হবে।

ইবাদত বন্দেগী

আল্লাহর নিয়ামতের শোকরিয়া জ্ঞাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল ইবাদত-বন্দেগী। নামায, রোযা,হজ্জ, যাকাত ছাড়াও অন্যান্য নফল ইবাদত যেমন দান-খয়রাত, এতিম-গরীবদের খাওয়ানো ইত্যাদিও শোকরিয়া জ্ঞাপনের উত্তম মাধ্যম। ফরজ ইবাদত পালনের মাধ্যমে দায়মুক্তি পাওয়া যায়; কিন্তু অধিকতর কৃতজ্ঞ হবার জন্য নফল ইবাদতের বিকল্প নেই।

খুশি তথা ঈদ উদযাপন করা

আল্লাহর নিয়ামত পাবার দিনকে ঈদের দিন হিসেবে গ্রহণ করার মাধ্যমেও নিয়ামতের শোকরিয়া করা যায়। যেমন হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বলেছিলেন-

رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ ۖ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

অর্থ-হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান হতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা প্রেরণ করুন; এটি আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য হবে ঈদ স্বরূপ এবং আপনার নিকটি হতে নিদর্শন।

— আল-কুরআন, সূরা:মায়িদা, আয়াত নং:১১৪

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তায়ালার নিকট ফরিয়াদ করেছিলেন যেন তিনি তাদের জন্য আসমান হতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা অবতীর্ণ করেন। হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বলেছেন যে, খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা অবতীর্ণ হলে তারা সে দিনকে ঈদের দিন হিসেবে গ্রহণ করবেন। মহান রাব্বুল আলামীন তাদের ওপর সেই নিয়ামত রবিবারে অবতীর্ণ করেছিলেন বিধায় তারা আজও রবিবারকে ঈদের দিন হিসেবে মেনে থাকে এবং এদিনকে তারা ছুটির দিন হিসেবে পালন করে। কুরআন মাজীদের এ আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, নিয়ামত পাবার দিনকে ঈদের দিন হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার স্বীকৃতি রয়েছে; কারণ তিনি হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের ঈদ উদযাপনের স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর উক্তি পবিত্র কুরআনে উলে­খ করেছেন এবং কোন প্রকার নিষেধ করেননি। এটি অবৈধ হলে তিনি অবশ্যই তা পবিত্র কুরআনে উলে­খ করতেন।

খৃষ্টানদের ওপর খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা রবিবারে অবতীর্ণ হবার কারণে সেদিনকে যদি ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করা যায়, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র আগমণের দিনকে কেন ঈদের দিন হিসেবে মানা যাবে না ? অথচ তিনিই হলেন সবচেয়ে বড় নিয়ামত সুতরাং ছোট নিয়ামতের শোকরিয়া স্বরূপ সেই নিয়ামত পাবার দিনকে ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করা বৈধ হলে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় নিয়ামত পাবার দিনকে ঈদের দিন হিসেবে মানা ও উদযাপন করা বৈধ।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের অন্যত্র ইরশাদ করেছেন-

ﻗﻞ ﺑﻔﻀﻞ ﺍﷲ ﻭﺑﺮﲪﺘﻪ ﻓﺒﺬﻟﻚ ﻓﻠﻴﻔﺮﺣﻮﺍ ﻫﻮ ﺧﲑ ﳑﺎ ﳚﻤﻌﻮﻥ

অর্থ-‘(হে রাসুল) আপনি বলুন, (সবকিছু) আল্লাহর দয়া ও মেহেরবাণীতে। সুতরাং এরই প্রতি তারা (মুসলমান) যেন খুশি উদযাপন করে। তারা যা সঞ্চয় করছে তা থেকে এটিই শ্রেষ্ঠতর।

— আল কুরআন, সূরা:ইউনূস, আয়াত নং:৫৮

এ আয়াতে মহান রাব্বুল আলামীন খুশি উদযাপনের দুটি উপকরণ সাব্যস্ত করেছেন। একটি হল (ﻓﻀﻞ) আর অপরটি হল (ﺭﲪﺔ)। এতদুভয়ের মর্ম কী-এর ব্যাখ্যায় প্রখ্যাত তাফসির বিশারদ আল্লামা মাহমূদ আলুসী[1], ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী [2] ,ইমাম আবু হাইয়ান আনদালূসী [3] আলাইহিমুর রাহমান স্ব-স্ব তাফসীর গ্রন্থে, তাফসিরকারকদের শিরোমণি হযরত ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, এখানে (ﻓﻀﻞ) দ্বারা জ্ঞান এবং (ﺭﲪﺔ) দ্বারা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝানো উদ্দেশ্য। আল্লামা ইবনু জাওযী (রহ.)বলেন-

ﺍﻥ ﻓﻀﻞ ﺍﷲ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻭﺭﲪﺘﻪ ﳏﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﷲ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﻀﺤﺎﻙ

অর্থাৎ-‘নিশ্চয় আল্লাহর ‘ফদ্বল’ হল জ্ঞান আর ‘রহমত’ হল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যা ইমাম দাহ্হাক রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেছেন।

— ইবনু জাওযী, যাদুল মাসীর, আল-মাকতাবুল ইসলামী, বৈরুত, ১৪০৪ হিজরী, খ.৪র্থ, পৃ.৪০।

আল্লামা তাবরিযী উলি­খিত আয়াতের অর্থ করতে গিয়ে বলেন

ﻓﺎﻓﺮﺣﻮﺍ ﺑﻔﻀﻞ ﺍﷲ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﲪﺘﻪ ﻟﻜﻢ ﺑﺈﻧﺰﺍﻝ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﻭﺇﺭﺳﺎﻝ ﳏﻤﺪ ﺇﻟﻴﻜﻢ ﻓﺎﻧﻜﻢ ﲢﺼﻠﻭﻥ ﻩﻤﺎ ﻧﻌﻴﻤﺎ ﺩﺍﺋﻤﺎ

অর্থাৎ-‘তোমাদের প্রতি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করে এবং কুরআন অবতীর্ণ করে আল্লাহ তায়ালা তোমদের ওপর যে দয়া ও করুণা করেছেন, তাতে তোমরা খুশি উদযাপন কর। কেননা উভয়ের (ফদল ও রহমত) মাধ্যমে নিশ্চয় তোমরা চিরস্থায়ী নিয়ামত অর্জন করবে, যা এ নশ্বর পৃথিবী থেকে তোমাদের জন্য অধিকতর শ্রেয়।

— আল্লামা তিবরিসী, মাজমাউল বয়ান, ইনশরাতে নাসির খসরু, তেহরান, ইরান, তারিখ বিহীন, খ. ৫ম, পৃ. ১৭৭

ইমাম বাক্বির রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু প্রখ্যাত মুফাসসির হযরত ক্বাতাদাহ্, হযরত মুজাহিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা প্রমুখ থেকে বর্ণনা করেন যে (ﷲﺍ ﻞﻀﻓ)দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বুঝানো হয়েছে। [4]

উলি­খিত আয়াতে ‘রহমত’ দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কথা বুঝানো হয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ আল্লাহ তায়ালা রাসূলুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ করেছেন

ﻭﻣﺎ ﺃﺭﺳﻠﻨﺎﻙ ﺇﻻ ﺭﲪﺔ ﻟﻠﻌﺎﳌﲔ

‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।

— আল-কুরআন, সূরা: আম্বীয়া, আয়াত নং ১০৭

প্রখ্যাত মুফাসসির আল্লামা মাহমূদ আলূসী আলাইহির রাহমাহ প্রমুখের মতে ‘রহমত’ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি নাম। এ ছাড়াও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন বিশ্ববাসীর জন্য সবচেয়ে বড় নিয়ামত। এতে কারো দ্বিমত নেই। তাই আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন-

ﻭﻟﻘﺪ ﻣﻦ ﺍﷲ ﻋﻠﻰ ﺍﳌﺆﻣﻨﲔ ﺇﺫ ﺑﻌﺚ ﻓﻴﻬﻢ ﺭﺳﻮﻻ ﻣﻦ ﺃﻧﻔﺴﻬﻢ

অর্থাৎ-‘আল্লাহ মুমিনদের ওপর অবশ্যই অনুগ্রহ করেছেন যে, তিনি তাদের নিজেদের মধ্য থেকে তাদের নিকটি রাসূল প্রেরণ করেছেন।

— সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং ১৬৪

সুতরাং বুঝা গেল যে, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্ববাসীর জন্য বড় অনুগ্রহ ও নিয়ামত। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা এ বড় অনুগ্রহ তথা রাসূলুল্লাহকে পাবার ওপর খুশি উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। আর রাসূলুল্লাহকে পাবার দিন হল ‘মিলাদুন্নবী’ এবং ‘মিলাদুন্নবী’ কে কেন্দ্র করে খুশি উদযাপন করাই হল ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ যা পালন করার নির্দেশ স্বয়ং আল্লাহ দিয়েছেন।

দেওবন্দীদের গুরু মাওলভী আশরাফ আলী থানভী সাহেব বলেন যে,

উলি­খিত আয়াতে ‘রহমত’ ও ‘ফদ্বল’ দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামাকে বুঝানো হয়েছে, যার জন্মের ওপর আল্লাহ তায়ালা খুশি উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ তিনি সকল নিয়ামতের মূল। তাই তাঁর আগমনে যতই খুশি উদযাপনকরা হোক না কেন তা কমই হবে।

— মাওলানা আশরাফ আলী থানভী, মিলাদুন্নবী, জীলি কুতুবখানা, লাহুর, তারিখবিহীন, পৃ. ১৫৪, ১২০, ১২১

এ ছাড়াও উপরিউক্ত আয়াতের ‘রহমত’ শব্দ দ্বারা রাসূলুল্লাহকে খাস বা নির্দিষ্ট অর্থে বুঝানো না হলেও ‘আম’ বা ব্যাপক অর্থেও তাঁকে বুঝাতে কারো দ্বিমত থাকতে পারে না; কারণ তিনি সৃষ্টি জগতের প্রতি আল্লাহর বড় রহমত। আল্লাহর অন্যান্য নিয়ামতের মত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল­ামা যেহেতু একটি নিয়মত, সেহেতু তার আগমনের ওপর খুশি উদযাপন করা আল্লাহর নির্দেশ পালন মাত্র। আর রাসূলুল্লাহর জন্ম উপলক্ষে খুশি উদযাপন করার নামই হল ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’।

অতএব কুরআনের আয়াত থেকে প্রমাণিত হল যে রাসূলের জন্ম উপলক্ষে খুশি উদযাপন করা আল্লাহর নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত। খুশি উদযাপনের ক্ষেত্রে সকল বৈধ পন্থা গ্রহণ করা শরিয়ত সম্মত। তাই মুসলিমগণ একত্রিত হয়ে মানুষের প্রতি আল্লাহর বড় কৃপার কথা তথা রাসূলের আগমনের কথা স্মরণ করে, রাসুলের জীবন-বৃত্তান্ত বর্ণনা করে, ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে খানা-পিনা খাওয়ায় এবং দান-সদকা ইত্যাদি করার ব্যবস্থা করে। মোট কথা খুশি উদযাপনের বহিঃপ্রকাশ শরিয়ত সম্মত পন্থায় হলে কোন অসুবিধা নেই।

তথ্যসূত্র

  1. আল্লামা আলূসী, রুহুল মায়ানী, দারু ইহইয়ায়িত্ তুরাসিল আরাবী, লেবানন, বৈরুত, খ. ১০ম, পৃ.১৪১
  2. ইমাম সূয়তী, আদ্ দুরর“ল মনছুর। দার“ল মারিফা, লেবানন, বৈরুত, খ.৪র্থ, পৃ.৩৩০
  3. ইমাম আবু হাইয়ান, আল বাহরুল মুহীত
  4. আল্লামা তিবরিসী, মাজমাউল বয়ান, ইনশরাতে নাসির খসরু, তেহরান, ইরান, তারিখ বিহীন, খ.৫ম, পৃ. ১৭৮
  • মাসিক তরজুমান, ১৪৩৬ হিঃ রবিউল আউয়াল সংখ্যা