দুগ্ধপোষ্য শিশুর সত্যবানী ঘোষণা

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ 2
  • দুগ্ধপোষ্য শিশুর সত্যবানী ঘোষণা























আরও পড়ুন শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ

  • শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ 2

হুযূর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার সাহাবায়ে কিরামের সমাবেশে তশরীফ রেখেছিলেন। এমন সময় এক বিধর্মী মহিলা তার দুমাস বয়স্ক দুগ্ধ পোষ্য শিশুকে কোলে নিয়ে সেই দিত দিয়ে যাচ্ছিল। শিশুটি যখন হুযুরকে দেখলেন তখন একেবারে সুস্পষ্ট কন্ঠে বলে উঠলেনঃ

السلام عليك يا رسول الله و يا اكرم خلق الله

অর্থাৎঃ হে আল্লাহর রসূল হে সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মানিত মখলুক! আপনার প্রতি সালাম।

মা তার দু’মাস রয়স্ক শিশুকে কথা বলতে দেখে বিস্মিত হয়ে গেল এবং শিশুকে জিজ্ঞেস করলো, বেটা তোকে এ কথা কে শিখিয়ে দিয়েছে? আর ইনি যে আল্লাহর রসূল তা তোকে কে বলে দিয়েছে? শিশু এবার মাকে সম্বোধন করে বলতে লাগলো, হে মা! এ কথা আমাকে সেই আল্লাহ শিখিয়েছেন, যিনি সকল মানুষকে এ ধরণের কথা বলা শক্তি দিয়েছেন এবং এ দেখুন আমার মাথার উপর জিব্রাইল দাঁড়িয়ে আছেন, যিনি আমাকে বলছেন যে ইনি আল্লাহর রসূল। মা এ অলৌকিক ঘটনা দেখে সংগে সংগে কালেমা পাঠ করে মুসলমান হয়ে গেল। মাওলানা রুমী (রহমাতুল্লাহে আলাইহি) মসনবী শরীফে লিখেছেন, হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শিশুকে লক্ষ্য করে জিজ্ঞাস করলেন: তোমার নাম কি? তখন শিশুটি বললোঃ

عبد عزى بيش ايس يكمشت جيز – ليك نامم بيش حق عبد العزيز

অর্থাৎ, ইয়া রাসুলল্লাহ! এক মুষ্ঠি মাটির তৈরী এ বান্দার নাম আমার মায়ের কাছে আবদে উয্যা কিন্তু আল্লাহর কাছে আবদুল আযিয।

— নাযহাতুল মাজলিস ৭২ পৃঃ ২জিঃ

সবকঃ

দু এক মাসের শিশুও হুযুরকে চিনে ও মান্য করে এবং নিজের মাকেও জান্নাতে নিয়ে যায়। কিন্তু আফসোস! ঐসব সয়স্ত বদবখতের জন্য যারা হুযুরকে চিনলোনা ও মান্য করলো না, স্বীয় গুমারাহী ও বেআদবী দ্বারা নিজেও ডুবলো এবং অন্যদেরকেও ডুবালো।

তথ্যসূত্র

  • ইসলামের বাস্তব কাহিনী - ১ম খন্ড