এই সুন্নিপিডিয়া ওয়েবসাইট পরিচালনা ও উন্নয়নে আল্লাহর ওয়াস্তে দান করুন
বিকাশ নম্বর ০১৯৬০০৮৮২৩৪

ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) * কারবালার ইতিহাস * পিস টিভি * মিলাদ * মাযহাব * ইলমে গায়েব * প্রশ্ন করুন

বই ডাউনলোড

দ্বীন

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
দ্বীন
আরবী ভাষায় দ্বীন শব্দের অনেক অর্থ আছে। যেমনঃ-আলকাহর - আধিক্য হওয়া, আছছুলত্বহ - অটল থাকা, আত্ ত্ব-আত - আনুগত্য স্বীকার করা, আলখুদু - অবনত ও বিনয়ী হওয়া, আল জাঝা - প্রতিফল দেয়া, আননিযাম - রীতি-নীতি, আলকানুন - পদ্ধতি।

প্রচলিত ভাষায় - নির্দ্দিষ্ট রীতি-নীতি ও নিয়ম পদ্ধতিকে দ্বীন বলা হয়। কোরআন মাজীদের পরিভাষায় দ্বীন ঐ সব মূলনীতি ও বিধি বিধানকে বলা হয় যা হজরত আদম আলাইহিছ ছালাম হতে শুরু করে হযরত মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম পর্যন্ত সকল নবী রছূলগণের মধ্যে সমভাবে বিদ্যমান।

এ ব্যাপারে কোরআন মাজীদে আল্লাহ তাআ’লা এরশাদ করেছেন –

তিনি তোমাদের জন্যে দ্বীনের ব্যাপাওে সে পথই ঠিক করে দিয়েছেন যার আদেশ দিয়েছেন নুহকে। আমি যা আদেশ করেছি তোমার প্রতি এবং যার আদেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মুছা ও ঈছাকে এই মর্মে যে “তোমরা দ্বীন প্রতিষ্ঠা করো এবং তার মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করো না।”

— ছুরা শুরাঃ আয়াত ১৩

আল্লাহ তাআ’লা আরও এরশাদ করেছেন –

হে রছূল! বলো, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু নাযিল করা হয়েছে আমার উপর, ইবরাহীম, ইছমাঈল, ইছহাক, ইয়াকুব এবং তাদের সন্তানদের উপর এবং যা কিছু দেয়া হয়েছে মুছা, ঈছা এবং অন্যান্য সকল নবী রছূলকে তাদের রবের নিকট থেকে। আমরা কারো মধ্যে পার্থক্য করিনা, আর আমরা তার অনুগত মুছলীম।

— ছুরা আল-ইমরানঃ আয়াত ৮৪

দ্বীনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আল্লাহ তাআ’লা কোরআন মাজীদে এরশাদ করেছেন -

আমি জ্বিন এবং মানব জাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাত করার জন্যেই সৃষ্টি করেছি।

— ছুরা জারিয়াত, আয়াত ৫৬

ইবাদাতের অর্থ হলো- কারো প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ও ভালবাসার দরুন তার নিকট নিজের আন্তরিক কাকুতি মিনতি প্রকাশ করা। [1] তাফছীরবীদগণ “লি ইয়াবুদুন” এর অর্থ “লি ইয়া’রাফুন” অর্থাৎ “আল্লাহ তাআ’লার পরিচয় গ্রহণ” বলে উল্লেখ করেছেন। [2] কোন লোকের পরিচয় না জানলে ও তার সাথে মেলামেশা না করলে যেমন তার ভাল-মন্দ সম্পর্কে জানা যায় না। তেমনি আল্লাহর যাত (মূল স্বত্বা) ও ছেফাত (গুণ স্বত্বা) এর পরিচয় না জানলে তার প্রতি বাস্তব ঈমান আনা সম্ভব হয় না। খোদ রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম এরশাদ করেছেন-

তোমরা কাউকে ভাল অথবা মন্দ বলো না যতক্ষণ না তার সাথে কারবার কর।

আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা, তাকে মুহাব্বত করা, ভালবাসা এবং তার প্রতি আনুগত্য স্বীকার করাই দ্বীনের মূল লক্ষ্য। এ জন্যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার লক্ষ্যে তাঁর যাত ও ছেফাতের পরিচয় গ্রহণ করা মানবের জন্যে অতি জরুরী কর্তব্য।

মাকতুবাত শরীফ

রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম হাদীছে কুদছীতে উল্লেখ করেছেন -

আল্লাহ তাআ’লা এরশাদ করেন - আমি গুপ্ত ভান্ডার ছিলাম। আমি আমার নিজের পরিচয় দেয়াকে ভালবাসলাম। এরপর আমি নিজের পরিচয় দেয়ার জন্যে মাখলুকাতকে সৃষ্টি করলাম।

— মাকতুবাতে ইমাম রব্বানী মুজাদ্দিদ আলফেছানী ৩য় খন্ড ৮৮ ও ১২২ মাকতুব

উক্ত হাদীছে কুদছীতে খোদ আল্লাহ তাআ’লা সৃষ্টির মূল লক্ষ্য আল্লাহ তাআ’লার পরিচয় গ্রহণ করা বলে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তাআ’লা কোরআন মাজীদে এরশাদ করেছেন -


আমি আছমান-জমিন ও পাহাড়সমুহের কাছে আমার আমানাত পেশ করেছিলাম। এরপর তারা একে গ্রহণ করতে অস্বীকার করলো এবং এতে ভীত হলো। কিন্তু মানুষ তা গ্রহণ করলো।

— ছুরা আহযাব, আয়াত ৭২

হযরত ইবনু আব্বাছ রাদি আল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত আছে রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম বলেন -


আল্লাহ তাআ’লা হযরত আদম আলাইহিছ ছালামকে লক্ষ্য করে বললেন - আমি আমার আমানাতকে আছমান ও জমীনের সামনে পেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা এ আমানাত গ্রহণ করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেছে। এখন তুমি কি এ আমানাত গ্রহণ করতে রাজী আছো? হযরত আদম জিজ্ঞেস করলেন - এর বিনিময়ে কি প্রতিদান পাওয়া যাবে? আল্লাহ তাআ’লা জবাবে বললেন - আল্লাহর দীদার, নৈকট্য ও সন্তষ্টি । এ কথায় হযরত আদম আল্লাহর নৈকট্য, সন্তুষ্টি ও দীদার লাভের আশায় এ আমানাত গ্রহণ করলেন।

— তাফছীরে খাজেন, ৫ম খন্ড, পৃষ্ঠা-২১৩

কোরআন ও হাদীছের উক্ত বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, দ্বীনের মূল লক্ষ্য হল- আল্লাহ তাআ’লার পরিচয় গ্রহণ করে তাঁর প্রতি ঈমান আনা, আল্লাহকে মুহাব্বত করা ও তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে আল্লাহর নৈকট্য, সন্তুষ্টি ও দীদার অর্থাৎ মিলন লাভ করা। আল্লাহ তাআ’লা কোরআন মাজীদে এরশাদ করেছেন -

নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের রব আল্লাহ। এরপর তারা এ কথার উপর অটল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা আসেন এবং বলেন - তোমরা ভয় করো না, তোমরা চিন্তিত হয়ো না এবং তোমরা বেহেশতের সুসংবাদ গ্রহণ করো যা তোমাদের জন্যে ওয়াদা করা হয়েছে। (আল্লাহ তাআ’লা বলেন) আমি তোমাদের দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতের অভিভাবক। তোমাদের মন যা কিছু আকাংখা করবে এবং যা কিছু তোমরা দাবী করবে তার সবই দেয়া হবে। এটা তোমাদের ক্ষমাশীল দয়াময়ের পক্ষ থেকে সাদর আপ্যায়ন।

— ছুরা হা-মীম-ছিজদাহ, আয়াত ৩০-৩২

যারা আল্লাহ তাআ’লার পরিচয় গ্রহণ করে তাঁর সাথে মুহাব্বত করবে, তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে শরীয়াতের নিয়ম বিধান পালন করবে, আল্লাহ তাআ’লা তাদের ভিতরের খারাপ গুণ সকল দূর করে দিয়ে আল্লাহ তাআ’লার গুণাবলীর নূর প্রবেশ করাবেন। আল্লাহ তাআ’লা এরশাদ করেছেন -

আল্লাহ তাআ’লা যার ছদর অর্থাৎ ক্বলবের প্রথম স্তরকে ইছলামের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছেন সে আল্লাহ তাআ’লার নূরের মধ্যে প্রবেশ করলো।

— ছুরা জুমার, আয়াত ২২

যেমন কোন বাদশা কোন নিচু বংশের মেয়েকে বিয়ে করে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলো। স্ত্রীর সাথে মেলামেশার সময় যদি বাদশা তাকে নিচু বংশের মেয়ে হিসেবে মনে করে, তাহলে কখনো ঐ স্ত্রীর সঙ্গে মন খুলে মিশতে পারবে না।

  • মন খুলে মেশার জন্যে প্রথম শর্ত হলো - “নিচু বংশের” এ কথা বাদশাকে ভুলে যেতে হবে।
  • দ্বিতীয়তঃ বাদশা তাঁর রুচি অনুযায়ী নিচু বংশের মেয়েকে পোষাক পরিচ্ছদ পরাবেন। যাতে তাকে দেখলে নিচু বংশের মেয়ে বলে মনে না হয়।
  • তৃতীয়তঃ বাদশা যে সমস্ত কথাবার্তা চালচলন ও গুনাবলী পছন্দ করেন তা শিখিয়ে তাকে নিজের মনের মত করে গড়ে তুলবেন।


  • অন্য দিকে নিচু বংশের মেয়েরও কর্তব্য হবে, এর আগে সে যে নিচু বংশের মেয়ে ছিল একথা ভুলে যেতে হবে। বর্তমানে সে বাদশাহের স্ত্রী হওয়ার কারনে দেশের রানী ও প্রজাদের মা হিসেবে সর্বশ্রেষ্ঠ ও রাণী একথা মনে করতে হবে।
  • নিচু বংশের মেয়ের দ্বিতীয় কর্তব্য হবে - নিচু শ্রেণীর পরিবারে বসবাসের ফলে তার মধ্যে যে সব দোষত্রুটি ছিল সেগুলি দূর করে ফেলবে, যেন বাদশা তাকে ঘৃণা করে দুরে সরিয়ে না দেয়।
  • তৃতীয়তঃ বাদশার স্ত্রী ও সঙ্গিনী হওয়ার কারণে বাদশা যে সকল কথাবার্তা, কাজ-কাম ও চাল-চলন পছন্দ করেন, সে সকল

অভ্যাস করে নিজেকে বাদশার চোখে সুন্দরী ও মোহনীয় করে তুলবে যেন বাদশা তার প্রেমে আবদ্ধ হয়ে পূর্বের সকল দোষ ত্রুটি ভুলে গিয়ে তার অকপট ও অকৃত্রিম বন্ধু হয়ে তার সঙ্গে মেলা-মেশা করতে পারে। আল্লাহ রব্বুল আলামীন অনন্ত অসীম। প্রথম থেকে আছেন অনন্তকাল থাকবেন। তিনি সকল প্রকার সৎ ও ভাল গুনে গুণান্নিত। কোন প্রকার অসৎ ও দোষ-ত্রুটি তার মধ্যে নেই। তিনি সকল খারাবী হতে পবিত্র। অপর দিকে ইনছান বা মানবের মধ্যে ভাল, মন্দ, সৎ- অসৎ ও খারাপ গুণ আছে। সৎগুণ সুগন্ধযুক্ত ও মিষ্ট। অসৎগুন দুগন্ধময়। যেমন রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম বলেন-


মিথ্যা কথার দুগন্ধে ফেরেশতাগণ মিথ্যাবাদী হতে এক মাইল দূরে সরে যায়।

— আত্ তারগীব ৩য় খন্ড; ৬২৫ পৃষ্ঠা; হাদীছ নং- ৩০

রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম বলেন -

নিশ্চয় আল্লাহ তাআ’লা পবিত্র, তিনি পবিত্র ব্যতীত অন্য কিছু কবুল করেন না। আল্লাহ তাআ’লা মোমেনদের জন্য ঐ সব আমলের হুকুম দিয়েছেন, যে সব আমলের হুকুম নবী রছূলগণকে দিয়েছিলেন।

— আত-তারগীব-২য় খন্ড, ৬০০ পৃষ্ঠা

আল্লাহ তাআ’লার উৎকৃষ্ট গুণাবলীর তুলনায় মানুষ তার দোষ ত্রুটি ও অসৎ গুণাবলীর জন্য নিকৃষ্ট মেয়ে হতেও নিকৃষ্ট। আল্লাহ তাআ’লা যখন উক্ত মানুষকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন তখন তাঁর দোষ-ত্রুটি ও গোনাহ সমুহ তার আমলনামা থেকে মুছে ফেলে দেন যেন তার দোষ-ত্রুটি দেখে তার প্রতি আল্লাহ তাআ’লার ঘৃণা না আসে আর তার অসৎ গুণাবলী সকল দূর করে দিয়ে আল্লাহ তাআ’লার গুণাবলীর নূর প্রবেশ করিয়ে আল্লাহ তাআ’লার গুণে গুণান্বিত করেন।


আল্লাহ তাআ’লা কোরআন মাজীদে এরশাদ করেছেন -

যে নিজে আত্মরক্ষা করতে সমর্থ না হয়ে নিজেকে রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে সমর্পন করে, আল্লাহ তাআ’লা তার সকল পাপকে (আমলনামা থেকে) মুছে দেন এবং তাকে উত্তম প্রতিদান দেন।

— ছুরা তালাক, আয়াত ৫


আল্লাহ ঈমানদারদের অভিভাবক। তিনি তাদের মধ্যের অন্ধকার (অসৎ গুণাবলী) কে দূর করে দিয়ে নিজ চরিত্রের গুণাবলীর নূর তাদের মধ্যে প্রবেশ করান।

— ছুরা বাকারাহ, আয়াত ২৫৭


ঐ আল্লাহ তোমাদের -উপর ছলাত (নামাজ) পড়েন এবং তার ফেরেশতাগণও আর তোমাদের মধ্যের জুলমাত ও গোনাহ সমুহকে দূর করে দিয়ে তার নূর প্রবেশ করান। তিনি মোমেনদের প্রতি অত্যন্ত দয়াময়।

— ছুরা আহযাব, আয়াত ৪৩

বান্দা যখন নামাজে দাড়িয়ে নিজের গোনাহ মাফের জন্যে কাকুতি মিনতি করতে থাকে, আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি রহমত বর্ষন করে তার গোনাহ ও ভুল ত্রুটি সমুহ মাফ করে দেন এবং আল্লাহর গুনাবলীর নূর নামাজীর মধ্যে প্রবেশ করান। ফলে তার মধ্য হতে অসৎ স্বভাব ও ঘৃনীত কাজ কর্ম দুর হয়ে যায়। অসৎ গুনাবলী হতে মুক্ত হয়ে বান্দা যখন আল্লাহর গুণাবলী গ্রহণ করে আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হয়ে আল্লাহর বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে তখন আল্লাহ তাআ’লা তাকে সুসংবাদ দান করেন -

আমি তোমাদের দুনিয়া এবং আখেরাত উভয় জগতের অবিভাবক।

— ছুরা হামীম ছেজদাহ, আয়াত ৩১

আল্লাহ তাআ’লা এ দুনিয়ায় বান্দাকে দৈনিক পাঁচবার নামাজের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য ও দীদার দান করেন এবং আখেরাতের অনন্তকাল ধরে দীদার বা সাক্ষাৎ, প্রেম ও নৈকট্য দান করবেন। খোলা চোখে যেমন চাঁদ দেখা যায় তেমন মোমেনগণ বেহেশতের মধ্যে আল্লাহকে পূর্ণ চাঁদের মত পরিস্কার দেখতে থাকবে। দুনিয়ার জগতে মানুষ সাধারণতঃ ৬০-৭০ বছর বেঁচে থাকে। আর আখেরাতের হিসাব শেষে বেহশতীগণ বেহেশতে এবং দোযখীরা দোযখে প্রবেশ করার পর মৃত্যুকে যবাই করে দেয়া হবে। তাদের আর কোনদিন মৃত্যু হবে না। অনন্তকাল আল্লাহর নৈকট্যধারী মোমেনগণ আল্লাহ তাআ’লার দর্শন ও নৈকট্য লাভ করে চরম শান্তি লাভ করবে। সুতরাং দ্বীনের মূল লক্ষ্য হলো আখেরাতের অনন্ত কালের জন্য আল্লাহ তাআ’লার দীদার, নৈকট্য ও সন্তষ্টি লাভ করা। আর এ পাথেয় সংগ্রহের উদ্দেশ্যে দুনিয়ায় জীবন যাপন কালে নফছের অসৎ স্বভাব ও দোষ-ত্রুটি দূর করে আল্লাহর পরিচয় লাভের মাধ্যমে তাঁর মুহাব্বত, ভালবাসা ও ক্সনকট্য লাভ করা, তার বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এ দুনিয়া থেকে অনন্ত কালের প্রেমময় জীবনে প্রবেশ করা।

এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআ’লা এরশাদ করেছেন -

হে প্রশান্ত নফছ তুমি তোমার রবের দিকে ফিরে এসো, এমন ভাবে যে, তুমি তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তোমার রবও তোমার প্রতি সন্তুষ্ট সুতরাং তুমি আমার আবদ শ্রেনীভূক্ত হয়ে যাও, আর আমার দীদারের জন্যে (চিরস্থায়ী বাসস্থান) জান্নাতে প্রবেশ কর।

— ছুরা ফাজর, আয়াত ২৭-৩০

[3]

তথ্যসূত্র

  1. তাফছীরে মাআ'রেফুল কোরআন-১ম, পৃষ্ঠা- ৭৯
  2. তাফছীরে মাজহারী - ৯ম খন্ড, ৯১ পৃষ্ঠা
  3. আদ্‌ দ্বীন (লেখকঃ মুহাম্মাদ মাহ্‌বুবুর রহমান)