নামাজ লজ্জাহীন খারাপ স্বভাব থেকে বিরতকারী

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

কোরআন মাজীদে আল্লাহ তাআ’লা বলেছেন

(হে রাছুল) তোমার কাছে অহির মাধ্যমে যে কেতাব পাঠান হয়েছে তা পড়ো এবং নামাজ কায়েম করো। নিশ্চয় নামাজ লজ্জাহীন খারাপ স্বভাব ও মন্দ কাজ-কর্ম থেকে বিরত রাখে।

— ছুরা আনকাবুত, আয়াত ৪৫

এ আয়াতে আল্লাহ তাআ’লা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে- অসৎ চরিত্র, অসৎ স্বভাব ও মন্দ কাজ কর্ম থেকে বেঁচে থাকার একমাত্র মাধ্যম হলো নামাজ কায়েম করা।

হযরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু বলেনঃ

এক ব্যক্তি রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম এর নিকটে এসে বললঃ অমুক ব্যক্তি রাতে নামাজ পড়ে কিন্তু ভোরে চুরি করে। রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয় তার নামাজ তাকে চুরির স্বভাব থেকে ফিরিয়ে রাখবে।

— তাফসীরে মাজহারী ৭ম খন্ড ২০৫ পৃঃ

আনাছ ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শুধু মাত্র আল্লাহর জন্যে ৪০ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে নামাজ পড়বে, তার জন্যে দুটি মুক্তি লেখা হবে। দোজখের শাস্তি হতে মুক্তি এবং নেফাকের অভি শাপ অর্থাৎ ১। মিথ্যা, ২। আমানাতে খেয়ানাত, ৩। ওয়াদা খেলাপ ও ৪। অশ্লীল গালি-গালাজ থেকে মুক্তি।

— তিরমিজি, আততারগীব ১ম- ২৬৩ পৃঃ

ইমরান ইবনে হুছাইন থেকে বর্ণিত আছেঃ রছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো- এ আয়াতের অর্থ কি ? ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহসা ই ওয়াল মুনকার

তিনি বললেন- যে ব্যক্তির নামাজ তাকে লজ্জাহীন খারাপ স্বভাব ও মন্দ কাজ-কর্ম থেকে বিরত না রাখে তার নামাজ নামাজই নয়।


হযরত ইবনে আব্বাছ ও ইবনে মাছউদ রাদিআল্লাহু আনহুমা বলেনঃ

যার নামাজ তাকে সৎকাজে উৎসাহ দান এবং অসৎ কাজকর্ম থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য না করে তার নামাজ তাকে আল্লাহ থেকে আরো দুরে সরিয়ে দেয়।

— তফছীরে মাজহারী-৭ম খন্ড ২০৫ পৃঃ

তথ্যসূত্র

  • নামাজ প্রশিক্ষণ