পুণ্যবান সন্তান ও জনকল্যাণমূলক কাজের উপকারিতা

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
কবরের জীবন










  • পুণ্যবান সন্তান ও জনকল্যাণমূলক কাজের উপকারিতা
















হযরত আবু উমামা (রা) বলেন , রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, মরনের পরে মুমিন যেসব কাজের পুণ্য লাভ করে, তাঁর মধ্যে

প্রথম হচ্ছে

এলমে দ্বীন- পার্থিব জীবনে সে যা প্রচার ও প্রসার করেছে ।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে

পুণ্যবান সন্তান সন্ততি রেখে আসা ।

তৃতীয়টি হচ্ছে

কোরআন মজিদ- যা সে উত্তরাধিকারীদের কাছে রেখে এসেছে ।

চতুর্থ হচ্ছে

যদি সে মসজিদ নির্মাণ করে এসে থাকে ।

পঞ্ছম হচ্ছে

যদি সে পথিক ও মুসাফির দের জন্য সরাইখানা স্থাপন করে আসে । স্বচ্ছ পানির অভাব দূর করার জন্য যদি সে নদী নালা খাল বিল পুকুর বা নল কুপের সু ব্যাবস্থা করে থাকে । আর জীবনের সুস্থ অবস্থায় যদি সে কোন ধন সম্পদ দান করে থাকে ।

এসবের পুণ্য মরনের পরেও সে লাভ করতে থাকে ।

— ইবনে মাজা , বায়হাকি

হযরত আবু হোরায় রা (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,

আল্লাহ্‌ তায়ালা জান্নাতে নেককারদের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেবেন । তখন সে আরজ করবে , হে আল্লাহ্‌ ! এ মহান সম্মান ও মান মর্যাদা আমি কিভাবে পেলাম? আল্লাহ্‌ তায়ালা বলবেন, তোমার জন্য তোমার সন্তানদের ক্ষমা প্রার্থনার ফলে তোমাকে এ মান মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে ।

— আহমদ , মেশকাত

আর এক হাদিসে আছে,

কেয়ামতের দিন কিছু কিছু লোক পাহাড় সমান পুণ্য লাভ করবে । তা দেখে তারা বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করবে, এতো বিপুল পরিমান পুণ্য আমি কিভাবে পেলাম ? তখন তাঁকে বলা হবে, তোমার সন্তানগণ তোমার জন্য মাগফেরাত কামনা করার ফলে তোমাকে এ সম্মান দান করা হয়েছে ।

— শরহে সুদূর

হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,

কবরে মৃত ব্যাক্তি এমনভাবে ওপরের মুখাপেক্ষী হয়, যেমন পানিতে ডুবতে থাকা ব্যাক্তি হয়ে থাকে। তারা পিতা-মাতা, ভাই ও অন্যান্য লোকদের দোয়া লাভের জন্য অপেক্ষায় প্রহর গুনে । তাদের কাছে যখন এদের কারো কোন দোয়া পৌঁছে, তখন সমস্ত দুনিয়া ও এতে যা কিছু আছে তাঁর তুলনায় সে দোয়া হয় তাদের কাছে বেশি প্রিয় । নিঃসন্দেহে আল্লাহ্‌ তায়ালা পৃথিবীর মানুষের দোয়া দ্বারা কবর বাসীদের কে পাহাড় সমান পুণ্য দান করেন । মৃতদের জন্য জীবিতদের উপঢৌকন হচ্ছে তাদের জন্য এস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা ।

— বায়হাকি , মেশকাত