মিলাদ সম্পর্কে জেদ্দার প্রাচীন ফতোয়া

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
ফতোয়াঃ

জেনে রাখুন, প্রশ্নে বর্ণিত পদ্ধতিতে (ক্বিয়ামসহ) মীলাদুন্নবী মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠান শরীয়ত অনুযায়ী বিদ্‘আত-ই হাসানাহ্ অর্থাৎ মুস্তাহাব। যার অন্তরে মুনাফিক্বীর অংশ আছে, সে ছাড়া অন্য কেউই মীলাদ শরীফকে অস্বীকার করতে পারে না। আর অস্বীকার করাই বা কিভাবে তার পক্ষে সম্ভব, যেখানে স্বয়ং আল্লাহ্ তা‘আলা ক্বোরআন পাকে এরশাদ করেছেন, ‘যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে, তাতো নিশ্চয় অন্তরগুলোর তাক্বওয়াই।’ আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাতা।

জিদ্দার মুফতীগণের মধ্যে যাঁরাএতেসীলমোহরসহ স্বাক্ষর করেছেন

১. আল্লামা আলী ইবনে আহমদ বা-সীরীন,
২. আল্লামা আব্বাস ইবনে জা’ফর ইবনে সিদ্দীক্ব,
৩. আল্লামা আহমদ ফাত্তাহ্,
৪. আল্লামা মুহাম্মদ সুলায়মান,
৫. আল্লামা আহমদ আব্বাস,
৬. আল্লামা মুহাম্মদ সালেহ,
৭. আল্লামা আহমদ ওসমান,
৮. আল্লামা ইবনে ‘আজলান,
৯. আল্লামা মুহাম্মদ সাদক্বাহ্ এবং
১০. আল্লামা আবদুর রহীম ইবনে মুহাম্মদী।

[১২৮৮হিজরী]

তথ্যসূত্র

  • আল্লামা আব্দুর রহীম তুর্কমানী (রহঃ) ১২৮৮ হিজরী সনে মক্কা ও মদিনা এবং জেদ্দাহ ও হাদিদার উলামায়ে কেরামের দ্বারা মিলাদ ও কিয়াম সম্পর্কে একটি ফতোয়া লিখিয়ে হিন্দুস্তানে নিয়ে আসেন এবং নিজ গ্রন্থ " রাওয়াতুন নাঈম " -এর শেষাংশে ছেপে প্রকাশ করেন । ( আনওয়ারে ছাতেয়া দেখুন )
  • মিলাদ ও কিয়ামের বিধান (লেখকঃ অধ্যক্ষ এম এ জলিল (রহঃ))