মুহাম্মদ (সঃ) এর এলমে গায়েবঃ ইমাম হুসাইন (রাঃ)

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
মুহাম্মাদ (সঃ) এর এলমে গায়েব সমর্থনে দলিল সমূহ























  • মুহাম্মদ (সঃ) এর এলমে গায়েবঃ ইমাম হুসাইন (রাঃ)

আল-হাকিম ও আল-বায়হাকী বর্ণনা করেন হযরত উম্মে আল-ফযল বিনতে আল-হারিস (রা:) হতে, তিনি বলেন:

একদিন আমি হযরত রাসূলে আকরাম (দ:)-কে দেখতে গেলাম, আমার কোলে ছিলেন ইমাম হুসাইন (রা:)। আমি মহানবী (দ:)-এর দিকে আবার ফিরে তাকাতেই দেখি তাঁর চোখ অশ্রু সজল। তিনি বল্লেন, ‘জিবরাইল আমীন এসে আমাকে বলেছেন যে আমার উম্মতের (কিছু লোক) আমার এই নাতিকে শহীদ করবে, আর তিনি ওর সমাধিস্থলের এক মুঠোভর্তি লাল মাটি নিয়ে এসেছেন’।

নোট
  • হযরত উম্মে আল-ফযল থেকে বর্ণনা করেন আল-হাকিম (৩:১৭৬-১৭৭=১৯৯০ সংস্করণের ৩:১৯৪), যিনি আল-বুখারী ও মুসলিমের মানদন্ডে একে বিশুদ্ধ বলেছেন;
  • তবে আয্ যাহাবী বলেন:

বরঞ্চ এটা যয়ীফ মুনক্কাতী, (কেননা) শাদ্দাদ হযরত উম্মে আল-ফযলের সাক্ষাৎ পাননি; অপর দিকে মোহাম্মদ ইবনে মুস’আব (আল-কিরকিসানী) দুর্বল (বর্ণনাকারী)।

  • তবে আয্ যাহাবী ‘সিয়্যার’ পুস্তকে (আরনাওত সংস্করণের ৩:২৮৯) অনুরূপ একটি বর্ণনা উদ্ধৃত করে বলেন যে ওর এসনাদ ’হাসান’ (নির্ভরযোগ্য/বিশুদ্ধ)।

ইবনে রুয়াহা, আল-বায়হাকী ও আবু নুয়াইম হযরত উম্মে সালামা (রা:) থেকে বর্ণনা করেন যে

রাসূলুল্লাহ (দ:) একদিন ঘুমিয়ে পড়েন এবং ঘুম থেকে জেগে ওঠেন নিষ্ক্রিয় ভাব নিয়ে; তাঁর হাত ভর্তি ছিল এক মুঠো লাল মাটি দ্বারা যা তিনি এদিক-ওদিক নাড়াচাড়া করছিলেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘এয়া রাসূলাল্লাহ (দ:)! এই মাটি কিসের?’ মহানবী (দ:) উত্তর দেন, ‘জিবরাইল আমীন আমাকে জানিয়েছেন যে এই বাচ্চা (ইমাম হুসাইন) ইরাক রাজ্যে শহীদ হবে, আর এই মাটি তার সমাধিস্থলের।’

নোট
  • হযরত উম্মে সালামা (রা:) থেকে এটা বর্ণনা করেন
    • ইবনে আবি আসিম তাঁর ‘আল-আহাদ ওয়াল মাসানী’ কেতাবে (১:৩১০ #৪২৯),
    • আত্ তাবারানী নিজ ‘আল-কবীর’ পুস্তকে (৩:১০৯, ২৩:৩০৮), এবং
    • আল-হাকিম (১৯৯০ সংস্করণের ৪:৪৪০) মূসা ইবনে ইয়াকুব আল-জামি’-এর সূত্রে নির্ভরযোগ্য সনদে;
  • অপর বর্ণনা এসেছে হযরত আয়েশা (রা:) হতে
    • আত্ তাবারানী কৃত ’আল-কবীর’ গ্রন্থে (৩:১০৭ #২৮১৫)।
  • হযরত আয়েশা (রা:) বা উম্মে সালামা (রা:) থেকে আরও বর্ণনা করেন
    • ইমাম আহমদ তাঁর ‘মুসনাদ’ ও ‘ফযায়েলে সাহাবা’ বইগুলোতে, তবে এক্ষেত্রে সনদ খুব দুর্বল।

আবু নুয়াইম বর্ণনা করেন হযরত উম্মে সালামা থেকে, যিনি বলেন:

ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন আমার ঘরে খেলছিলেন, এমন সময় জিবরাইল আমীন অবতীর্ণ হন এবং বলেন, ‘এয়া রাসূলাল্লাহ (দ:)! নিশ্চয় আপনার উম্মতের (কতিপয় লোক) আপনার এই নাতিকে (ইমাম হুসাইনের দিকে দেখিয়ে) শহীদ করবে।’ তিনি ইমামের সমাধিস্থলের কিছু মাটিও এনে দেন। হুযূর পাক (দ:) তা শুঁকেন এবং বলেন, ‘এতে কষ্ট ও ক্লেশ-যন্ত্রণার গন্ধ রয়েছে।’ অতঃপর আরও বলেন, ‘এই মাটি যখন রক্তে পরিণত হবে, তখন বুঝবে আমার নাতি শহীদ হয়েছে।’ অতএব আমি ওই মাটি একটি বয়ামে রেখে দেই।

নোট
  • এটা বর্ণনা করেন আত্ তাবারানী নিজ ‘আল-কবীর’ পুস্তকে (৩:১০৮ #২৮১৭),
  • আল-মিযযী তাঁর ‘তাহযিব আল-কামাল’ কেতাবে (৬:৪০৯), এবং
  • ইবনে হাজর স্বরচিত ‘তাহযিব আত্ তাহযিব’ গ্রন্থে (২:৩০০-৩০১) যাঁর এসনাদে দুর্বল বা প্রত্যাখ্যাত রাফেযী শিয়া ’আমর ইবনে সাবিত ইবনে হুরমুয আল-বাকরী বিদ্যমান। দেখুন - আল-হায়তামী (৯:১৮৯)।

ইবনে আসাকির বর্ণনা করেন মোহাম্মদ ইবনে ‘আমর’ [1] ইবনে হাসান (রা:) হতে, তিনি বলেন:

আমরা ইমাম হুসাইন (রা:)-এর সাথে কারবালার (পাশে) নদীতে ছিলাম [2] যখন তিনি শিমার ইবনে যি আল-জাওশানের দিকে তাকান এবং বলেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (দ:) সঠিক বলেছেন! রাসূলুল্লাহ (দ:) বলেন, “আমি দেখতে পাচ্ছি একটা ফোটা ফোটা দাগবিশিষ্ট কুকুর আমার ঘরের মানুষদের রক্তের ওপর লালা ঝরাচ্ছে”।

নোট
  • শিমার কুষ্ঠরোগী ছিল।
  • এটা বর্ণনা করেন ইবনে আসাকির ‘তারিখে দিমাশ্ক’ গ্রন্থে (২৩:১৯০);
  • দেখুন - ’কানয’ (#৩৭৭১৭) এবং আল-বেদায়া।

ইবনে আল-সাকান, আল-বাগাবী ও আবু নুয়াইম বর্ণনা করেন হযরত আনাস ইবনে আল-হারিস (রা:) থেকে, তিনি বলেন:

আমি মহানবী (দ:)-কে বলতে শুনেছি, ‘নিশ্চয় আমার এই নাতি (হুসাইনকে ইশারা করে) কারবালা নামের এক জায়গায় শহীদ হবে। তোমাদের কেউ ওখানে তখন উপস্থিত থাকলে তাকে সাহায্য করো।’ অতঃপর হযরত আনাস ইবনে আল-হারিস (রা:) কারবালা যান এবং ইমাম হুসাইন (রা:)-এর সাথে শাহাদাত বরণ করেন।

নোট
  • হযরত সোহায়ম থেকে বর্ণিত, হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা:) থেকেও বর্ণিত আবু নুয়াইমের ‘দালাইল’ গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৫৫৪ #৪৯৩) এবং আল-বাগাবী ও ইবনে আল-সাকান তাঁদের সাহাবা-এ-কেরাম সংকলনে।
  • দেখুন - ইবনে হাজর কৃত ’এসাবা’ (১:১২১),
  • আল-বুখারী প্রণীত ‘আল-তারিখ আল-কবীর’ (২:৩০ #১৫৮৩);
  • ‘আল-এস্তিয়াব’ (১:১১২);
  • ‘আল-খাসাইস আল-কুবরা’ (২:৪৫১)।

আত্ তাবারানী বর্ণনা করেন হযরত আয়েশা (রা:) থেকে এই মর্মে যে হযরত রাসূলে করীম (দ:) এরশাদ ফরমান:

জিবরাইল আমীন আমাকে বলেছেন আমার নাতি হুসাইন আমার (বেসালের) পরে আল-তাফফ রাজ্যে (সিরিয়া ও ইরাকের মাঝে) শহীদ হবে, আর তিনি আমাকে এই মাটি এনে দিয়ে বলেছেন যে এতে হুসাইনের সমাধিস্থল হবে।

নোট
  • হযরত আয়েশা (রা:) থেকে এটা বর্ণনা করেন আত্ তাবারানী তাঁর ‘আল-কবীর’ (৩:১০৭ #২৮১৪) ও ’আল-আওসাত’ (৬:২৪৯ #৬৩১৬) গ্রন্থগুলোতে, যার এসনাদ দুর্বল বলেছেন আল-হায়তামী (৮:২৮৮, ৯:১৮৮);
  • দেখুন - আস্ সৈয়ুতী রচিত ‘যেয়াদাত আল-জামে’ আস্ সগীর’ (#১৪৭) এবং
  • কানয (#৩৪২৯৯)।
  • সামগ্রিকভাবে এটা হাসান (বিশুদ্ধ), কেননা এই বর্ণনা ও উম্মে সালামা (রা:)-এর বর্ণনা একে অপরকে সমর্থন দেয়।

ইমাম আহমদ ও ইবনে সা’আদ এটা হযরত আলী (ক:) থেকে বর্ণনা করেন নিম্নের প্রকাশভঙ্গিতে:

আমি অনুভব করি হুসাইন ফোরাত নদীর তীরে শহীদ হবে।

নোট
  • হযরত আলী (ক:) থেকে এটা বর্ণনা করেছেন
    • ইমাম আহমদ, আবু ইয়ালা (#৩৬৩),
    • ইবনে আবি আসিম নিজ ‘আল-আহাদ ওয়াল মাসানী’ পুস্তকে (১:৩০৮ #৪২৭),
    • ইবনে আবি শায়বা (৭:৪৮৭ #৩৭৩৬৭),
    • আল-বাযযার (৩:১০১ #৮৮৪),
    • আত্ তাবারানী তাঁর ‘আল-কবীর’ কেতাবে (৩:১০৫ #২৮১১),
    • আল-মিযযী নিজ ‘’তাহযিব আল-কামাল’ গ্রন্থে (৬:৪০৭), এবং
    • ইবনে হাজর স্বরচিত ’তাহযিব আল-তাহযিব’ বইয়ে (২:৩০০);
  • আল-আরনাওত কৃত ‘মুসনাদ’ (২:৭৭-৭৮ #৬৪৮) ও আল-মুনাওয়ী (১:২০৪-২০৫)-এর ভাষ্যানুযায়ী ওপরের সবার এসনাদ দুর্বল, তবে আল-হায়তামী (৯:১৮৭) ও আল-মাকদেসীর প্রণীত ‘আল-মুখতারা’ কেতাবে প্রদত্ত ভাষ্য এর বিপরীত।
  • পক্ষান্তরে আয্ যাহাবী দ্বিতীয় আরেকটি সনদ পেশ করেছেন যা প্রথমটিকে সমর্থন যোগায়। এই বর্ণনায় আছে ইমাম হুসাইন (রা:)-এর অনুপস্থিতিতে তাঁকে হযরত আলী (ক:)-এর সম্ভাষণ: “সাবরান আবা আবদ-আল্লাহ!”
    • দেখুন - ইবনে তাইমিয়া রচিত ‘মিনহাজ’ (কুরতুবা সংস্করণের ৩:৩৬৭-৩৬৮) এবং আয্ যাহাবী প্রণীত ‘সিয়্যার’ (রেসালা সংস্করণের ৩:২৮৮=ফিকর সংস্করণের ৪:৪০৭-৪০৮)।

আল-বাগাবী তাঁর ‘মু’জাম’ পুস্তকে হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা:) থেকে রওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন:

বৃষ্টির ফেরেশতা (মিকাইল) মহানবী (দ:)-এর সাথে দেখা করার জন্যে মহান প্রভুর দরবারে আরয করেন এবং অনুমতি পান। তিনি দিনের এমন সময়ে রাসূলুল্লাহ (দ:)-এর ঘরে আসেন যখন তিনি সাধারণতঃ মা উম্মে সালামা (রা:)-এর সাথে থাকেন। হুযূর পূর নূর (দ:) বলেন, ‘উম্মে সালামা, দরজা বন্ধ রাখো এবং কাউকেই ঢুকতে দেবে না।’ তিনি দরজা বন্ধ করার জন্যে ওর কাছে যাওয়ামাত্র ইমাম হুসাইন (রা:) ছুটে এসে ঘরে প্রবেশ করেন এবং মহানবী (দ:)-এর কাছে যান, যিনি নাতিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খান। এমতাবস্থায় ফেরেশতা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি তাঁকে খুব আদর করেন?’ রাসূলে পাক (দ:) জবাবে ’হ্যাঁ’ বলেন। ফেরেশতা বলেন, ‘নিশ্চয় আপনার উম্মতের কতিপয় লোক তাঁকে শহীদ করবে; আর আপনি যদি চান, তবে আমি আপনাকে দেখাতে পারি তাঁকে কোথায় শহীদ করা হবে।’ তিনি মহানবী (দ:)-কে সেই জায়গা প্রদর্শন করেন এবং সেখান থেকে কিছু লালচে মাটি এনে তাঁকে দেন। এই মাটি উম্মে সালামা (রা:) তাঁর চাদরের মধ্যে রাখেন।

সাবিত আল-বনানী (রহ:) যিনি এটা হযরত আনাস (রা:) থেকে বর্ণনা করেছিলেন, তিনি বলেন,

আমাদের বিবেচনায় এই জায়গাটি ছিল কারবালা।

নোট
  • হযরত আনাস (রা:) থেকে এটা বর্ণনা করেন
    • ইমাম আহমদ, আবু এয়ালা (৬:১২৯ #৩৪০২),
    • আল-বাযযার (#২৬৪২),
    • আত্ তাবারানী নিজ ‘আল-কবীর’ গ্রন্থে (৩:১০৬ #২৮১৩),
    • ইবনে হিব্বান (১৫:১৪২ #৬৭৪২ হাদীস হাসান),
    • আবু নুয়াইম তাঁর ‘দালাইল’ কেতাবে (পৃষ্ঠা ৫৫৩ #৪৯২),
    • আল-বায়হাকী স্বরচিত ‘দালাইল’ পুস্তকে (৬:৪৬৯), এবং
    • আল-মিযযী নিজ ‘তাহযিব আল-কামাল’ গ্রন্থে (৬:৪০৮)।
    • দেখুন - কানয (#৩৭৬৭২), আল-হায়তামী (৯:১৮৭-১৯০), আয্ যাহাবী নিজ ‘সিয়্যার’ কেতাবে (৩:২৮৮-২৮৯=ফিকর সংস্করণের ৪:৪০৮), এবং আস্ সৈয়ুতী কৃত ‘খাসাইস আল-কুবরা’ (২:৪৫০)।

মোল্লা আল-মওসিলীর বর্ণনায় হযরত উম্মে সালামা (রা:) বলেন:

মহানবী (দ:) আমার কাছে এক মুঠো লাল মাটি হস্তান্তর করে বলেন, ‘সে (হুসাইন) যেখানে শহীদ হবে এটা সেই জায়গার মাটি। এটা যখন রক্তে পরিণত হবে, তখন জানবে যে তাকে শহীদ করা হয়েছে’।” হযরত উম্মে সালামা (রা:) বলেন, “ওই মাটি আমার কাছে থাকা একটি বয়ামে আমি রাখি, আর সেই ভয়াবহ দিনের আশংকায় থাকি যেদিন তা রক্তে পরিণত হবে।”

নোট
  • এই রওয়ায়াত করেছেন আত্ তাবারানী নিজ ‘আল-কবীর’ গ্রন্থে (৩:১০৮ #২৮১৭),
  • আল-মিযযী তাঁর ‘তাহযিব আল-কামাল’ পুস্তকে (৬:৪০৯), এবং
  • ইবনে হাজর স্বরচিত ‘তাহযিব আত্ তাহযিব’ কেতাবে (২:৩০০-৩০১) যা’তে রাফেযী শিয়া ‘আমর ইবনে সাবিত ইবনে হুরমুয আল-বাকরী সনদের মধ্যে আছে; এই লোক দুর্বল বা বর্জনীয়।
  • দেখুন - আল-হায়তামী (৯:১৮৯)।

মহানবী (দ:) যেভাবে বলেছিলেন, ঠিক সেভাবেই ইমাম হুসাইন (রা:)-এর শাহাদাত হয় কুফা নগরীর কাছে ইরাকের কারবালায়, যে জায়গাটি আত্ তাফফ নামেও পরিচিত। এই হাদীসে তাঁর আরেকটি বিস্ময়কর মো’জেযা হলো এই যে, হযরত উম্মে সালামা (রা:) ইমাম হুসাইন (রা:)-এর শাহাদাতের পরও জীবিত থাকবেন তা এতে প্রকাশিত হয়েছিল; আর বাস্তবে তাই ঘটেছিল।

তথ্যসূত্র

  1. ইমাম নাবহানীর বইয়ে ‘উমর’ লেখা হয়েছে, যা ‘তারিখে দিমাশ্ক’ ও ‘কানযুল উম্মাল’ কেতাবগুলো থেকে সংশোধিত
  2. কুফা নগরীর চব্বিশ মাইল উত্তর পশ্চিমে
  • মহানবী (দ:)-এর অদৃশ্য জ্ঞানবিষয়ক ৮০টি হাদীস-[ইমাম কাজী ইউসুফ নাবহানী (রহ:)-এর ৯০০ পৃষ্ঠাব্যাপী গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহি আ’লাল আ’লামীন ফী মো’জেযাতে সাইয়্যেদিল মুরসালীন (১৩১৭ হিজরী/১৮৯৯ খৃষ্টাব্দ) হতে সংগৃহীত]-মূল: শায়খ ড: জিবরীল ফুয়াদ হাদ্দাদ দামেশকী-অনুবাদ: কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন
  • sufi-hearth.blogspot.com