মৃত্যুর পর নবী রাসুলগণ কবরে মানবদেহ রুপেই জীবিত থাকেন

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
কবরের জীবন





















  • মৃত্যুর পর নবী রাসুলগণ কবরে মানবদেহ রুপেই জীবিত থাকেন





আল্লামা জালাল উদ্দিন সুয়ুতি (র) তার প্রণীত আম্বারুল আজকিয়া বিহায়াতিল আম্বিয়া পুস্তকে লিখেছেন, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) সহ অন্যান্য নবী রাসুলগণ যে, কবরে মানবদেহ রুপে জীবিত রয়েছেন, আমরা তা বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা অবগত হয়েছি । এ বিষয়টি প্রমানাদি দ্বারা দ্বিধাহীন ভাবে প্রমানিত ।

ইমাম বায়হাকিও এ বিষয়ে স্বতন্ত্র পুস্তক রচনা করে বলেছেন । নবী রাসুলগণ নিজ নিজ কবরে জীবিত আছেন । যেসব বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা এটা প্রমান করা হয় তার মধ্যে এই হাদিসটি অন্যতম যে,

হযরত আনাস (রা) বলেছেন, নবী করীম (সঃ)কে যে রাতে ঊর্ধ্বমণ্ডলে (মেরাজে ) নেয়া হয়েছে , সে রাতে তিনি হযরত মুসা (আঃ)এর কবরের নিকট দিয়ে গমন করেছেন , তাঁকে তিনি কবরে নামাজরত অবস্থায় দেখতে পেয়েছেন ।

— মুসলিম শরীফ

মুহাদ্দেস হাফেজ আবু নাইম (র) হিলইয়াতুল আওলিয়া কেতাবে হযরত ইবনে আব্বাস বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন । তাতে বলা হয়েছে নবী করীম (সঃ) হযরত মুসা (আঃ) এর কবরের পাশ দিয়ে গমন কালে তাঁকে দণ্ডায়মান হয়ে নামাজ পড়তে দেখেছেন ।

হাফেজ আবু ইয়ালা স্বীয় মুসনাদ গ্রন্থে এবং ইমাম বায়হাকি (রহঃ) হায়াতুল আম্বিয়া গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, হযরত আনাস (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,

নবী রাসুল গন স্ব স্ব কবরে মানব দেহ নিয়েই জীবিত আছেন । তাঁরা সেখানে নামাজ আদায় করেন । এ নামাজ আদায় করা তাঁদের প্রতি ফরজ হিসেবে নয় । কেননা কবর জীবনে কোন মানুষ শরীয়ত পালনে দায়িত্বশীল থাকেনা । বরং এই নামাজ হচ্ছে তাঁদের আল্লাহ্‌ প্রেমের শুধা লাভ করার জন্য ।

হযরত আবু দাউদ ও বায়হাকি (রহঃ) হযরত আউস ইবনে আউস সাকাফি (রা) থেকে এক হাদিস উল্লেখ করেছেন ,

নবী করীম (সঃ) বলেছেন, তোমাদের দিন গুলোর মধ্যে উত্তম দিন হচ্ছে জুম্মার দিন । সুতরাং তোমরা ওই দিন আমার প্রতি অধিক পরিমানে দরুদ পাঠ করো । তোমাদের দরুদ আমার কাছে প্রেরণ করা হয় ।

সাহাবী গন আরজ করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসুল ! আমাদের সালাত ও সালাম পাঠ আপনার কাছে কিভাবে প্রেরন করা হবে? আপনি তো তখন অনুতে পরিনত হয়ে মাটির সাথে মিশে যাবেন ।

প্রতুত্তরে নবী করীম (সঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ তায়ালা মাটির জন্য নবী রাসুলদের দেহ মোবারক ভক্ষন করা হারাম করেছেন ।

— আবু দাউদ, হাকেম

ইমাম বায়হাকি (র) স্বীয় গ্রন্থে লিখেছেন,

নবী রাসুল গন কবরে জীবিত থাকার বিষয়টি বহু বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমানিত । তার মধ্যে মেরাজের রাতে নবী করীম (সঃ)র সাথে অন্যান্য নবী রাসুলদের সাক্ষাত হওয়ার বিষয়টি অন্যতম । সে রাতে একদল নবী রাসুল শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সাথে সাক্ষাত করেছেন এবং পরস্পরে কথাবার্তাও বলেছেন ।

— বোখারি

এ প্রসঙ্গে হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে এক হাদিস বর্ণিত হয়েছে ,

নবী করীম (সঃ) মেরাজের আলোচনায় বলেছেন

আমি নিজেকে একদল নবী রাসুলের সমাবেশের মধ্যে দেখতে পেলাম । আমি দেখলাম হযরত মুসা (আঃ) দণ্ডায়মান হয়ে নামাজ পড়ছেন । তার দেহ মোবারক হালকা ও ছিপছিপে । এবং মাথার কেশরাজি কোঁকড়ানো । তাঁকে শানুয়াহ কবিলার লোক মনে হচ্ছিলো । আমি হযরত ইসা (আঃ) কে দেখলাম । তিনি দাড়িয়ে নামাজ আদায় করছেন । আর হযরত ইব্রাহিম (আঃ)কেও দাঁড়ানো অবস্থায় নামাজ পড়তে দেখেছি । তাঁদের চেহারা আকৃতি অনেকটা তোমাদের সাথি মুহাম্মদ (স)এর সাথে মেলে । এ সময় নামাজের ওয়াক্ত হলে আমি তাঁদের ইমাম হয়ে নামাজ আদায় করি ।

— মুসলিম শরীফ

বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হাফেজ আবু নাইম (র) তার দালায়েলুন নবুওত গ্রন্থে এবং জুবায়ের ইবনে বক্কর তার আখবারে মদিনা গ্রন্থে এবং ইবনে সায়াদ (র) তাবকাত গ্রন্থে, আর দারেমি স্বীয় মসনদ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন,

ইয়াজিদের হুররাহ বাহিনি দ্বারা যখন মদিনা আক্রান্ত হয়, তখন সাইদ ইবনে মুসাইয়েব (র) অনবরত মসজিদে নববিতে অবস্থান করেন । তখন মসজিদের বাইরে প্রচণ্ড যুদ্ধ ও রক্তারক্তি চলছিল । তিনি তখন মসজিদে নববি থেকে আদৌ বের হলেন না । তিন দিন পর্যন্ত মসজিদে নব বি তে আজান ও একামত হয় নি । সাইয়েদ ইবনে মুসাইয়েব (র) বলেন, নামাজের সময় হলেই আমি নবী করীম (স) এর রওজা মোবারকের দিক থেকে এক প্রকার বিশেষ আওয়াজ শুনতে পেতাম । যা দ্বারা আমি বুঝতাম যে নামাজের সময় হয়েছে। এ দিন গুলো তে হযরত সাইয়েদ ইবনে মুসাইয়েব (র) ছাড়া কোন লোক ই মসজিদ এ নববি তে ছিল না ।

— মেশকাত, দারেমি

উপরোক্ত হাদিস সমুহ দ্বারা প্রমান হয় যে, সমস্ত নবী রাসুল গন নিজ নিজ কবরে মানব দেহ রুপেই জীবিত আছেন । পবিত্র কোরআন মজিদে আল্লাহ্‌ তায়ালা শহীদগণ সম্পর্কে বলেছেন,

আল্লাহ তায়ালার পথে যারা শহীদ হয়েছেন, তাঁদেরকে তোমরা মৃত মনে করো না, বরং তাঁরা জীবিত । তাঁদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে তাঁদেরকে জীবিকা প্রদান করা হয় ।

শহীদগণ সম্পর্কে যখন বলা হয়েছে, তাঁদেরকে তোমরা মৃত মনে করো না, বরং তাঁরা জীবিত । তাঁদের প্রতি পালকের পক্ষ হতে তাঁদের কে জীবিকা প্রদান করা হয় ।তখন নবী রাসুল গনের ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য হবে না কেন ? তাঁরা তো শহীদদের তুলনায় অনেক অনেক গুন সু উচ্চ মর্যাদার অধিকারী । মত কথা নবী রাসুল গন কবরে মানব দেহ রুপে জীবিত থাকা সম্পর্কে কোন সন্দেহ পোষণ করা উচিত নয় । সুতরাং বলা যায় যে , এ আয়াতের সাধারন বক্তব্যের মধ্যে নবী রাসুলগণও শামিল ।

বোখারি শরীফে হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত হয়েছে , নবী করীম (স) মৃত্যুজনিত পীড়া কালে বলেছেন ,

আমি খায়বার অবস্থান কালে যে বিষমিশ্রিত খাবার আহার করেছিলাম । তার ক্রিয়া আমি প্রায় অনুভব করি । সে সময় বিষক্রিয়ায় আমার হৃৎপিণ্ড সংশ্লিষ্ট শিরাটি কেটে নিয়েছে ।

ইমাম বায়হাকি (র) কিতাবুল ইতেকাদ গ্রন্থে লিখেছেন যে, নবী রাসুল গনের রূহ কবজ করার পর তা পুনরায় কবরে ফিরিয়ে দেয়া হয় । সুতরাং তাঁরা শহীদগণের মতো তাঁদের প্রতিপালকের কাছে জীবিত আছেন ।

আল্লামা কুরতুবি (র) স্বীয় কিতাবুত তাজকিয়া গ্রন্থে লিখেছেন, মৃত্যু নিছক সম্পূর্ণ বিলিন হওয়ার নাম নয় । বরং এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন হওয়াকে মৃত্যু বলা হয় । এর দ্বারাই বুঝা যায় যে শহীদগণ নিহত হওয়ার পর কবরে জীবিত থাকেন । এবং আল্লাহ্‌র পক্ষ থকে জীবিকাও লাভ করেন । আর খুব আনন্দ চিত্তে সময় অতিবাহিত করেন । তাঁদের বৈশিষ্ট্য জিবিতদের মতই হয়ে থাকে । শহীদগণের অবস্থাই যখন এই তখন, নবী রাসুলগণের জীবিত থাকা আরও শত গুনে যুক্তিযুক্ত । বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা এটা প্রমানিত যে, মাটি কখনও নবী রাসুল গনের দেহ মোবারক ভক্ষন করে না । আর নবী (স) যে মেরাজের রাতে অন্যান্য নবী রাসুল গনের সাথে সাক্ষাত করেছিলেন , তা ও হাদিস দ্বারা প্রমানিত । আর নভমন্ডল ভ্রমন কালেও নবী করীম (স) এর সাথে অন্যান্য কয়েকজন নবী রাসুলের সাক্ষাত এবং কথোপকথন হয়েছিলো । তিনি হযরত মুসা (আঃ) কে কবরে নামাজ পড়তে দেখেছেন । তিনি এ কথাও বলেছেন তার প্রতি কেউ সালাত ও সালাম প্রেরন করলে তিনি তার জবাব প্রদান করেন ।

এছাড়া আরও অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে , যার সারাংশ থেকে নিশ্চিত রুপে জানা যায় যে , নবী রাসুল গনের মৃত্যুর অর্থ হচ্ছে , তাঁদের কে আমাদের থেকে গোপন করে রাখা । যাতে আমরা তাঁদের জীবিত থাকা তা অনুভব করতে না পারি । যদিও তাঁরা কবরে জীবিতই অবস্থান করেছেন । তাঁদের অবস্থা হচ্ছে ফেরেশতাদের মতো । তাঁরা সর্বদা জীবিত, কিন্তু আমরা তাঁদের কে দেখতে পাচ্ছি না ।- আম্বরাউল আজিকিয়া

এখানে আমরা আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ুতি (র) এর আম্বারুল আম্বিয়া গ্রন্থ থেকে বিষয়টি সংক্ষেপ করে উল্লেখ করলাম । সে গ্রন্থে অনেক বিশুদ্ধ হাদিস উল্লেখ করে কবরে নবী রাসুল গনের জীবিত থাকার বিষয় টি প্রমান করা হয়েচে । মুলতঃ আলমে বরযখ বা কবরের জীবন হচ্ছে একটি সতন্ত্র জগত । তার বিষয়গুলো পার্থিব জগতে অবস্থান করে বুঝা যায় না । আমাদের শুধু এটুকু বুঝতে হবে যে, এ জগতে শক্তি ও দুর্বলতার দিক দিয়ে জীবনের বিভিন্ন স্তর রয়েছে । অনুরুপ ভাবে সেখানেও রয়েছে বিভিন্ন স্তর । সবচেয়ে শক্তি শালী জীবন হচ্ছে নবী রাসুল গনের জীবন । এরপর অন্যান্য মৃত দের জীবন । আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (স) মিরাজের রাতে হযরত মুসা (আঃ) এর কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন । তিনি তাঁকে কবরে নামাজ পড়তে দেখলেন ।তিনি বায়তুল মুকাদ্দেস এ পৌঁছে নবী রাসুল গন কে দেখতে পেলেন । তাদের কে সাথে নিয়ে নামাজের ইমামতি করলেন । অতঃপর তিনি নভঃমণ্ডলে পউচালে সেখানেও কয়েকজন নবী রাসুলের সাথে তার সাক্ষাত হয় । তিনি হযরত মুসা (আ) কে ইতিপূর্বে কবরে নামাজ পড়তে দেখেছিলেন । অতঃপর তার সাথে ষষ্ঠ আকাশে সাক্ষাত ঘটে । তারই পরামর্শ অনুযায়ী নবী করীম (স) বারবার আল্লাহ্‌ পাকের দরবারে গিয়ে পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজের স্থলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে আনেন । নভঃমণ্ডলে যেসব নবী রাসুলদের সাথে সাক্ষাত হয়েছিলো তাঁদের মধ্যে হযরত ইসা (আঃ)ও ছিলেন । যেহেতু হযরত ইসা (আঃ) এখনও মৃত্যু বরন করেননি, কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে পৃথিবীতে পুনরায় আগমন করবেন । এবং কাফের দাজ্জালকে হত্যা করবেন । এ কারনেই তাঁকে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স) এর সাহাবাদের মধ্যে গন্য করা হয় । - আল ইসাবা ফি তামিজেস সাহাবা

হযরত মুহাম্মদ (স) ও ইসা (আঃ) ইহজাগতিক রুপেই জীবিত ছিলেন । পরস্পর সাহাবী হওয়ার জন্য যা একান্ত অপরিহার্য । অন্যান্য নবী রাসুল গন এ সময় আল মে বরজাখ তথা কবরে জীবিত ছিলেন , যাদের সাথে মেরাজ রাতে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর দেখা হয়েছিলো ।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেন,

আমি একসময় মক্কা মদিনার মধ্যবর্তী স্থানে নবী করীম (সঃ)এর সাথে সফর করেছিলাম । এসময় তিনি এক উপত্যকা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কোন উপত্যকা ?

উপস্থিত লোকেরা বলল এ হচ্ছে আরজাক উপত্যকা ।

তখন তিনি বললেনঃ আমি যেন হযরত মুসা (আঃ) কে দেখছি । একথা বলার পর তিনি হযরত মুসা (আঃ) এর দেহের রং ও চুলের কিছু বর্ণনা দিলেন, আর বললেন, "আমি যেন তাঁকে দেখছি ,তার উভয় হাতের আঙ্গুলি সমুহ কানে দিয়ে আছেন । আর স্বীয় প্রতিপালকের নামে তালবিয়া পাঠ করতে করতে এই উপত্যকা অতিক্রম করছেন ।"

হযরত আব্বাস (রা) বলেন, এর পর আমরা সম্মুখে চলতে চলতে অন্য এক উপত্যকায় গিয়ে পৌঁছলাম । এ উপত্যকা সম্পর্কে নবী করীম (স) জিজ্ঞাস করলেনঃ এ কোন উপত্যকা ?

লোকেরা বললেন, এ হচ্ছে হারশি উপত্যকা । তখন তিনি বললেন, “আমি যেন হযরত ইউনুস (আঃ)কে দেখছি । তিনি একটি লাল বর্ণের উটের পিঠে আরোহণ করে আছেন । তার দেহে রয়েছে সুতার তৈরি জুব্বা । আর উটের লাগামটি গাছের বাকল দ্বারা তৈরি । তিনি তালবিয়া পাঠ করতে করতে এ উপত্যকা অতিক্রম করছেন ।

এ হাদিস দ্বারা প্রমান হয় যে নবী করীম (স) তাঁদের কে জাগ্রত অবস্থায় তাল্বিয়া পাঠ করতে দেখেছেন । বুঝা গেলো নবী রাসুল গনের কবরের জীবন এতো শক্তিশালী, পূর্ণাঙ্গ ও উন্নত যে তাঁরা এই দুনিয়াতেও (মৃত্যুর পরেও) স্ব শরীরে আগমন করতে পারেন । আর মানব চোখে তাঁদের কে অবলকন করাও সম্ভব । প্রখ্যাত মুহাদ্দেস শাহ আব্দুল হক মুহাদ্দেস দেহলভি (র) মেশকাতের শরাহ “আশরাতুল লুমাত" গ্রন্থে লেখেছেন ।

নবী রাসুল গনের কবরে জীবিত থাকার বিষয় টি সব বিশেষজ্ঞ দের একটি ঐকমত্য বিষয় , এতে কারই কোন দ্বিমত নেই । তাঁদের এ জীবন পার্থিব জীবনের ন্যায় দৈহিক ভাবে জীবন্ত জীবন । তাঁদের এই জীবনকে আধ্যাত্মিক ও মরমী জীবন ভাবা উচিত নয় ।

আলমে বরজাখ তথা কবরের জীবন হচ্ছে, এই পার্থিব জীবন হতে ভিন্নতর জীবন এবং বিস্ময়কর বটে । সেখানকার অবস্থা পার্থিব অবস্থা দ্বারা কেয়াস বা অনুমান করা যায় না ।