এই সুন্নিপিডিয়া ওয়েবসাইট পরিচালনা ও উন্নয়নে আল্লাহর ওয়াস্তে দান করুন
বিকাশ নম্বর ০১৯৬০০৮৮২৩৪

ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) * কারবালার ইতিহাস * পিস টিভি * মিলাদ * মাযহাব * ইলমে গায়েব * প্রশ্ন করুন

বই ডাউনলোড

শবে বরাত সমর্থনে হাদীস সমূহ 1

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
হাদীস নম্বর ১

হযরত মুয়ায বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নবী (সঃ) ইরশাদ করেন- মধ্য শা’বানের রাতে (১৪ই শা’বান দিবাগত রাতে) মহান আল্লাহ রহমতের ভান্ডার নিয়ে তাঁর সকল সৃষ্টির প্রতি এক বিশেষ ভূমিকায় আবির্ভূত হন [1]এবং রাতে মুশরিক অথবা হিংসুক ছাড়া সকলকে ক্ষমা করে দেন ।

নোটঃ
  • তাবারানী, সুলাইমান ইবনু আহমাদ (৩৬০ হিঃ), আল মুজামুল কাবীর, (মাক্তাবাতুল উলূম ওয়াল হিকাম), ১৫ খন্ড, ২১ পৃষ্ঠায় হাদীস নং ১৬৬৩৯
  • ইমাম ইবনু হিব্বান, মুহাম্মদ ইবনু হিব্বান (৩৫৪ হিঃ), আস সহীহ, (বৈরুত, মুয়াচ্ছাসাতুর রিসালা, প্রকাশকাল ১৪১৪) হাদিস নং ১৯৮০, পৃষ্ঠা ৩৫৫ খন্ড ১৩
  • আল্লামা শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী “সিলসিলাতুল আহাদীস আস সহীহা” ৩য় খন্ড, ১৩৫ পৃষ্ঠা, হাদিস নং ১১৪৪
  • বায়হাকী, আহমদ ইবনুল হুসাইন (৪৫৮ হিঃ) “শুয়াবুল ঈমান” (হায়দারাবাদ, মাজলিসু, দায়িরাতিল মা’রেফ, প্রকাশকাল ১৩৪৪ হিঃ), হাদিস নং ৩৮৩৩
  • ইমাম বায়হাকী, তাঁর সংকলিত হাদীস গ্রন্থ “ফাজায়েলুল আওকাত” হাদীস নং ২২, পৃষ্ঠা ১১৯
  • মুনজারী, আব্দুল আযীম ইবনু আব্দিল কাভী (৬৫৬ হিঃ), আত তারগীব ওয়াত তারহীব (বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, প্রকাশ ১৪১৭ হিঃ) হাফেজ যকী উদ্দীন আল মুনযিরী ২য় খন্ড পৃষ্ঠা ২৪১
  • মাজমাউয যাওয়ায়েদ “হাফেজ নুরুদ্দীন আলী ইবনে আবী বকর হায়সামী (৮০৭ হিঃ) ৮ম খন্ড পৃষ্ঠা ৬৫, হাদীস নং ১২৮৬০
  • আল হিলয়াতুল আওলিয়া ফি তাবকাতুল আসফিয়া” আবু নায়ীম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইস্পাহানী (৪৩০ হিঃ) ৫ম খন্ড, ১৯১
  • “আস সুন্নাহ” হাফেজ ইবন আবী আসিম হাদিস নং ৫১২
  • “আল আমালী” মুহাদ্দিস আবুল হাসান আল কাযবিনী ৪র্থ খন্ড পৃষ্ঠা ২
  • “জুযউম মিন হাদীসিহী” মুহাদ্দিস মুহাম্মদ সুলাইমান আর রিবয়ী ১ম খন্ড পৃষ্ঠা ১২
  • “আল আমালী” মুহাদ্দিস আবুল কাসেম আল হুযাইনী ১ম খন্ড, ১২ পৃষ্ঠা
  • “আত তারীখ” হাফেজ ইবনে আসাকীর ২য় খন্ড, ৩০২ পৃষ্ঠা
  • “আস সালেস ওয়াত তিসঈন মিন তাখরীজিহি” হাফেজ আব্দুল গনি আল মুকাদ্দেসী ২য় খন্ড পৃষ্ঠা ৪৪
  • “সিফাতু রাব্বিল আলামীন” ইবনুল মুহিব্ব খন্ড ২, পৃষ্ঠা ২১৯
  • মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-২৭৫৪,
  • সুনানে বায়হাকী, হাদীস নং- ৩/৩৮১; হাদীসটি সহীহ
  • মুসনাদে ইসহাক বিন রাহওয়াই, হাদীস নং-১৭০২,
  • সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩৯০,
  • মুসনাদুশ শামীন, হাদীস নং-২০৩,
  • মুসন্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৩০৪৭৯,
  • সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১/৪৪৫;
  • মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং- ২/১৭৬;
  • আল ইহসান-৭/৪৭,
  • মাওয়ারিদুয যমআন-৪৮৬, হাদীস-১৯৮০,

হাদিসটির সনদ পর্যালোচনা

ইবনে হিব্বানের সূত্রে এই হাদীছে দশজন বর্ণনাকারী রয়েছেনঃ
১। মুহাম্মদ বিন আল মাআফীঃ

তিনি সকলের নিকট নির্ভরযোগ্য।[2]

২। ইবনে কুতায়বাঃ

তিনি মুহাদ্দিছীনের দৃষ্টিতে ثقه ছিকাহ তথা নির্ভরযোগ্য।[3]

৩। হিশাম ইবনে খালিদঃ

তার ব্যাপারে সমকালীন হাদীছ পর্যালোচক শুআইব আল আরনাউত বলেনঃ

তিনি নির্ভরযোগ্য, প্রচুর ছিক্বাহ রাবীগণ তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন

আবু আলী আল হায়্যানী, ইমাম যাহাবী প্রমুখ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে হিব্বান কিতাবুছ ছিক্বাতে বলেন,

কোন সমালোচনা আমার জানা নেই।

— তাহরীরঃ খ-৪, পৃ-৩৯

৪। উতবা বিন হাম্মাদঃ

এর সম্পর্কে হাদীছ পর্যালোচকগণ বলেছেনঃ

  • হাফেয বলেনঃ তিনি সত্যবাদী।
  • আবু আলী নিসাপুরী এবং খতীব বাগদাদী বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য।
  • ইবনে হিব্বান তাঁকে কিতাবুছ ছিক্বাতে উল্লেখ করেছেন।
  • শুয়াইব আরনাউত তাঁকে ছিক্বাহ বলেছেন।
তাঁর থেকে অসংখ্য ছিকাহ মুহাদ্দিস হাদীছ নিয়েছেন।[4]
৫। আলআওযায়ীঃ

তিনি সর্বসম্মতিক্রমে সুখ্যাত ইমাম ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।[5]

৬। আব্দুর রহমান ইবনে ছওবানঃ

তাঁর ব্যাপারে হাদীছ পর্যালোচকদের কিছু সমালোচনা থাকলেও তাঁর ব্যাপারে শায়খ আরনাউত্ব সুস্পষ্টভাষায় বলেন,

তিনি সত্যবাদী, তাঁর বর্ণিত হাদীছ গ্রহণযোগ্য কেননা আবু হাতিম, দুহাইম, আব্দুর রহমান বিন সালেহ আমর বিন আলী প্রমুখ ثقه ছিকাহ বা নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে কিতাবুছ ছিকাতে উল্লেখ করেছেন। শায়খে বোখারী আলী ইবনিল মাদীনী ইমাম আবু যুরআহ, ইমাম আবু দাউদ আল আজলী, ইয়াকুব ইবনে শাহীন প্রমুখ তাঁর হাদীছ গ্রহণযোগ্য হওয়ার ক্ষেত্রে “কোন অসুবিধা নেই” বলে মন্তব্য করেছেন।

— দেখুন তাহরীরঃ পৃ – ২/ ৩১০

৭। ছাবেত ইবনে ছওবানঃ

তিনি সর্বসম্মতিক্রমে ছিক্বাহ নির্ভরযোগ্য।[6]

৮। ইমাম মাকহূলঃ

তিনি প্রসিদ্ধ ইমাম ও ছিকাহ হওয়ার মধ্যে কারো দ্বিমত নেই। তাঁর ব্যাপারে ইবনু হাজার বলেনঃ

নির্ভরযোগ্য তবে ইরসাল বেশি করতেন।

[7]
৯। মালেক ইবনে ইখামেরঃ

তিনি সর্বসম্মতিক্রমে ছিক্বাহ। মুআয বিন জাবালের সঙ্গী। তবে রসূলের ইন্তিকালের পর ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর ব্যাপারে “ আল-কাশেফ ” গ্রন্থে আছে,

তিনি হযরত মুআযের সঙ্গি, সাহাবী নন, নির্ভরযোগ্য।

— কাশিফঃ ১/২৮১

১০। হযরত মুআয (রঃ)

রসূল (সঃ) এর বিশিষ্ট ও সুপ্রসিদ্ধ ফক্বীহ সাহাবী।[8]

হাদীছটি সম্পর্কে মুহাদ্দিছগণের অভিমত

উপরোক্ত হাদীসটির সনদের প্রতিজন রাবী অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য । এ মর্মে হাদীস বিশারদ ও সমালোচকদের কিছু মন্তব্য পেশ করছি-

  • হাদীসের বড় সমালোচক আল্লামা নাসির উদ্দীন আলবানী বলেনঃ

হাদিসটি সহীহ । কেননা একদল সাহাবী থেকে বিভিন্ন সূত্রে নিসফে শাবানের মর্যাদার উপর একাধিক হাদীস বর্নিত আছে । বিভিন্ন সূত্রে বর্নিত হওয়ার কারনে হাদীসটি মজবুতি লাভ করেছে । যে সকল সাহাবী থেকে হাদীস বর্নিত আছে তারা হলেন, হয্রত মুয়ায ইবনে জাবাল, আবু সালাবা আল খুশানী, আব্দুল্লাহ ইবনে আমর, হযরত আবু মুসা আল আশআরী, আবু হুরায়রা, আবু বকর সিদ্দিক, আউফ বিন মালেক এবং আয়েশা (রাঃ) প্রমুখ । এছাড়াও আকাবির সাহাবগণ হাদিস বর্ননা করেন ।

— সিলসিলাতুল আহাদিস আস সহীহা খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৩৫

উপরে বর্ণিত সবক’টি বর্ণনাকারীর হাদিস তিনি তার কিতাবে আনার মাধ্যমে সুদীর্ঘ আলোচনার পর শেষে তিনি বলেন-

و جملة القول أن الحديث بمجموع هذه الطرق صحيح بلا ريب و الصحة تثبت بأقل منهاعددا ما دامت سالمة من الضعف الشديد كما هو الشأن في هذا الحديث ، فما نقلهالشيخ القاسمي رحمه الله تعالى في ” إصلاح المساجد ” ( ص ১০৭ ) عن أهل التعديلو التجريح أنه ليس في فضل ليلة النصف من شعبان حديث صحيح ، فليس مما ينبغيالاعتماد عليه ، و لئن كان أحد منهم أطلق مثل هذا القول فإنما أوتي من قبلالتسرع و عدم وسع الجهد لتتبع الطرق على هذا النحو الذي بين يديك . و الله تعالى هو الموفق

অর্থাৎ “সারকথা হল এই যে, নিশ্চয় এই হাদিসটি এই সকল সূত্র পরম্পরা দ্বারা সহীহ, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর সহীহ হওয়া এর থেকে কম সংখ্যক বর্ণনার দ্বারাও প্রমাণিত হয়ে যায়, যতক্ষণ না মারাত্মক কোন দুর্বলতা থেকে বেঁচে যায়, যেমন এই হাদিসটি হয়েছে। আর যা বর্ণিত শায়েখ কাসেমী থেকে তার প্রণিত “ইসলাহুল মাসাজিদ” গ্রন্থের ১০৭ নং পৃষ্ঠায় জারাহ তা’দীল ইমামদের থেকে যে, “শাবানের অর্ধ মাসের রাতের কোন ফযীলত সম্পর্কে কোন হাদিস নেই মর্মে” সেই বক্তব্যের উপর নির্ভর করা যাবেনা। আর যদি কেউ তা মেনে নেয় সে হবে ঝাঁপিয়ে পড়া(ঘারতেড়া) স্বভাবের, আর তার ব্যখ্যা-বিশ্লেষণ ও গবেষণা-উদ্ভাবনের কোন যোগ্যতাই নেই এরকমভাবে যেমন আমি করলাম”। শায়েখ আলবানী এর বিশ্লেষণ থেকে একথা নির্ধিদ্ধায় আমরা বলতে পারি হাদিস দ্বারা শবে বারাআত প্রমাণিত।

  • হাফেয নুরুদ্দীন আল হাইসামীর অভিমতঃ

উক্ত হাদিসটি ইমাম তাবারানী (রঃ) তাঁর সংকলিত “আল মু’জামুল কাবীর” এবং “মু’জাম আল আওসাত” এর মধ্যে বর্ননা করেছেন । গ্রন্থ দুটির হাদীসের সনদের সকল রাবী সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য ।

— “মাযমাউয যাওয়ায়েদ” হাজেজ নুরুদ্দীন আলী ইবনে আবী বকর হায়সামী (৮০৭ হিঃ) ৮ম খন্ড পৃষ্ঠা ৬৫

  • হাফিয ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহঃ) মু’আয ইবনু জাবাল (রঃ) এর বর্ণিত এ হাদীছটি বর্ণনা করার পর বলেন,

ইবনু হিব্বান হাদীছটিকে সহীহ (বিশুদ্ধ) আখ্যা দিয়েছেন। আর নির্ভরযোগ্যতার জন্য এটিই যথেষ্ট।

— লাতাইফ আল মারিফঃ ইবনে রজব, ১/২২৪

অনুরুপ বর্ননা পাওয়া যায় শরহে মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ্‌ কিতাবে । সেখানে হাফিয ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহঃ) এর বক্তব্য

উক্ত হাদীসটি মারফু । হাদীসটিকে ইমাম ইবনে হিব্বান সহিহ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন । হাদীসটির বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট ।

— শরহে মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ্‌, ইমাম যারকানী, ৭ম খন্ড, পৃষ্ঠা ৪১২

  • হাদীছ পর্যালোচক আদনান আবদুর রহমান বলেন,

উক্ত হাদীছটি ফাযায়িলুল আওক্বাত অধ্যায়ে ইমাম বায়হাকী বর্ণনা করেছেন। আর তার সনদ হাসান।

  • আলোচ্য হাদীছ সম্পর্কে তাবরানী রচিত المعجم الكبير আলমু’জামিল কবীর গ্রন্থের মুহাক্কিক এবং বিশিষ্ট হাদীছ পর্যালোচক বলেনঃ

শবে বরাতের হাদীছটি বহু সূত্রে বর্ণিত আছে। যারা সূত্রগুলো সম্পর্কে অবগত তাদের নিকট হাদীছটি নিঃসন্দেহে সহীহ বলে পরিগণিত। বিশেষ করে যখন তার কিছু সূত্র حسن لذاته হাসান লিযাতিহী তথা সহীহ, যেমন হযরত মুআয (রঃ) ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীছের সূত্রগুলো।

— আল মু’জামুল কবীরের টিকাঃ খঃ ২০, পৃঃ ১০৮

উপরোক্ত মন্তব্যের সারমর্ম হলো মু’আয (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত শবে বরাতের হাদীছটি মতনের দিক দিয়ে সহীহ, তবে তার সনদটি হাসান লিযাতিহী।

  • ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ.-৩৫৪) বলেন,

হাদীসটি সহীহ।

— সহীহ ইবনে হিব্বান-১২/৪৮১, হাদীস-৫৬৬৫

  • ইমাম শামসুদ্দীন আয যাহাবী (রঃ) বলেনঃ

উক্ত হাদিসটি প্রবীণ একদল তাবেয়ী মুহাদ্দিস থেকে বর্নিত । তিনি আরো বলেন সনদের মধ্যে মালিক ইবনে ইখামের সাথে ইমাম মাকহুলের সাক্ষাত ঘটেনি ।

— আল্লামা শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী “সিলসিলাতুল আহাদিস আস সহীহা” ৩য় খন্ড ১৩৫ পৃষ্ঠা

  • প্রখ্যাত উসূলে হাদীস বিশারদ আদনান আব্দুর রহমান বলেনঃ

হাদীসটি ইমাম বায়হাকী “ফাযায়েলুল আওকাত” গ্রন্থে বর্ননা করেছেন । হাদীসটির সনদ হাসান । - বা হাওকীকে আদনান আব্দুর রহমান, পৃষ্ঠা ১৭৮

  • আল্লামা মুনজেরী (রহ.-৬৫৬) বলেন

উক্ত হাদীসটি সহীহ।

— আত তারগীব ওয়াত তারহীব-২/৭৩, হাদীস-১৫৪৬

  • আল্লামা হায়সামী (রহ.-৮০৭) বলেন-

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْكَبِيرِ وَالْأَوْسَطِ وَرِجَالُهُمَا ثِقَاتٌ. (مجمع الزوائد ومنبع الفوائد (8/ 65 - উক্ত হাদীসটি ইমাম তাবরানী তার মুজামুল কাবীর ও আওসাতে সংকলন করেছেন, এবং সংকলিত হাদীস এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। মাজমাওজ যাওয়েদ-৮/৬৫, হাদীস-১২৯৬০

  • আল-আরনাওত এই সনাদকে সহীহ বলেছেন;
  • ইমাম মনযিরী, ইবনে রজব, নূরুদ্দীন হাইসামী, কাস্তাল্লানী, যুরকানী এবং অন্যান্য হাদীস বিশারদ এই হাদীসটিকে আমলযোগ্য বলেছেন।[9]
ফায়েদাঃ

এছাড়া এ হাদীসটির সমর্থনে শাহেদ ও মুতাবে হাদীস বিদ্যমান । একজন রাবীর বর্নিত হাদীস সমর্থনে যদি অন্য রাবীর বর্নিত হাদিস বর্তমান থাকে তাহলে সেটাকে মুতাবে হাদীস বলে । তবে শর্ত হলো একই সাহাবী থেকে বর্নিত হতে হবে । আর যদি দু’জনই আলাদাভাবে দু’জন সাহাবী থেকে বর্ননা করেন তাকে শাহেদ হাদীস বলে । [10]

হাদীসটির হাসেল কথাঃ

তাই আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারি যে, হযরত মুয়ায বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিত হাদীসটির সকল রাবী সিকাহ তথা নির্ভরযোগ্য । ফলে হাদীসটি সহী ও হুজ্জাত বা দলীল হিসেবে বিবেচিত ও আমলযোগ্য ।

তথ্যসূত্র

  1. আল্লাহর জন্য যেটা শোভনীয় কামা ইয়ালিকু বিস শান । এর দ্বারা কোন জিহাত ও মাকান সাব্যস্ত করা যাবে না ।
  2. কিতাবুছ ছেকাত
  3. আল আনসাব
  4. তাহরীরঃ খ-২, পৃ-৪২৯
  5. আল জরহু ওয়াততাদীল
  6. আততাকরীবঃ ৮১১
  7. উস্তাদের নাম বিলুপ্ত করে তার উপরস্ত ব্যক্তি থেকে হাদীছ বর্ণনা করাকে ইরসাল বলে।
  8. আততাকরীব
  9. আততারগীব ওয়াততারহীব ২/১৮৮; ৩/৪৫৯. লাতায়েফুল মাআরিফ ১৫১; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/৬৫; শারহুল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যা ১০/৫৬১
  10. “মুকাদ্দামায়ে মেশকাত” শায়খ আব্দুল হক মুহাদ্দীস দেহলভী, পৃষ্ঠা ৫
  • শরীয়ার কষ্টিপাথরে শবে বরাত (লেখকঃ মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী)
  • sunni-encyclopedia.blogspot.com