হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর মিলাদ পাঠ ও কেয়াম

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এবং হযরত ইসমাইল (আঃ)যখন আল্লাহর ঘর তৈরী করছিলেন , তখন ইব্রাহীম (আঃ) উক্ত ঘরের নির্মাণ কাজ কবুল করার জন্য নিজের ভবিষ্যৎ সন্তানাদিদের মুসলমান হয়ে থাকার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করার পর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বা কেয়াম করে নবী (দঃ) -এর আবির্ভাব আরবে ও হযরত ইসমাইলের বংশে হওয়ার জন্য এভাবে দোয়া করেছেন ।

অর্থাৎ হে আমার রব ! তুমি এই আরব ভুমিতে আমার ইসমাইলের বংশের মধ্যে তাদের মধ্যে হতেই সেই মহান রাসুলকে প্রেরণ করো- যিনি তোমার আয়াত সমুহ তাদের কাছে পাঠ করে শুনাবে, তাদেরকে কোরআন সুন্নাহর বিশুদ্ধ গেয়ান শিক্ষা দেবেন এবং বাহ্যিক ও আত্বিক অপবিত্রতা থেকে তাদের পবিত্র করবেন ।

— সুরা আল বাকারা ১২৯ আয়াত

এখানে দেখা যায় - হযরত ইব্রাহীম ( আঃ) রাসুলুল্লাহের ৪০০০ বৎসর পুর্বেই মুনাজাত আকারে তাঁর আবির্ভাব , তাঁর সারা জিন্দেগীর কর্ম চান্চল্য ও মাণুষের আত্বার পরিশুদ্ধির ক্ষমতা বর্ননা করে হুজুর (দ) -এর মিলাদের সারাংশ পাঠ করেছেন এবং এই মুনাজাত বা মিলাদ দন্ডায়মান অবস্থাই করেছেন ;যা পুর্বের দুটি আয়াতের মর্মে বুঝা যায় ।

ইবনে কাছির তাঁর বেদায়া ও নেহায়া গ্রন্থে ২য় খন্ডে ২৬১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন

দোয়া ইব্রাহিমু আলাইহি ওয়া সাল্লামু ওয়াহুয়া কায়েমুন

অর্থাৎ উক্ত দোয়া করার সময় ইব্রাহীম (আঃ) দন্ডায়মান ছিলেন ।

নবী করিম (দ) বলেণ

আনা দুয়াওতু ইব্রাহীমা

আমি হযরত ইব্রহীমের (আঃ) -এর দোয়ার ফসল ।

হযরত ইব্রাহীম ( আঃ) আল্লাহর নিকট থেকে চেয়ে আমাদের প্রিয় নবী(দ) কে আরবের ইসমাইল (আঃ) -এর বংশে নিয়ে এসেছেন । এটা উপলব্ধির বিষয় । আশেক ছাড়া এ মর্ম অন্য কেউ বুঝবে না । বর্তমান মিলাদ শরীফে রাসুলে পাঁকের আবির্ভাবের যে বর্ননা দেয়া হয় -তা হযরত ইব্রাহিম(আঃ)-এর দোয়ার তলনায় সামান্যতম অংশ মাত্র । সুতরাং আমাদের মিলাদ শরিফ পাঠ ও কেয়াম হযরত ইব্রাহীম আলাহিস সালামেরই সুন্নাত । [1]

তথ্যসূত্র

  1. দেখুন বেদায়া ও নেহায়া ২য় খন্ড ২৬১ পৃষ্ঠা
  • মিলাদ ও কিয়ামের বিধান (লেখকঃ অধ্যক্ষ এম এ জলিল (রহঃ))